Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল খুনের তদন্তে সামনে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিয়ের আগে বালিতে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনাও নষ্ট করেছিলেন অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল(Ketan Murder)।
উঠে আসছে একের পর এক তথ্য (Ketan Murder)
ঘটনার দিন পুনে থেকে মুম্বই বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় গাড়ির চালক বৈভব জাধব দাবি করেন, সিয়া যেতে চাইছিলেন না। তাঁর ভাই সাহিল গোয়েল নাকি জোর করে তাঁকে গাড়িতে বসান। পথে ভাই-বোনের মধ্যে বচসাও হয়।
এরপর কেতন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গাড়িতে ওঠেন। খালাপুরের একটি ফুড মলে সবাই চা-খাবারের জন্য নামলে সিয়া মোবাইল আনার অজুহাতে একা গাড়িতে ফিরে যান। চালকের দাবি, তখন তিনি গাড়ি থেকে কিছু জিনিস নিজের পকেটে রাখতে দেখেন সিয়াকে।
মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছে দেখা যায়, সবার পাসপোর্ট থাকলেও কেতনের পাসপোর্ট নেই। ফলে বালি সফর বাতিল হয়ে যায়। কেতনের বাবা বিজয় আগরওয়াল অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁর ছেলের পাসপোর্ট সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
পুলিশের দাবি, সিয়া গাড়ি থেকে কেতনের পাসপোর্ট চুরি করে খালাপুরের ফুড মলের মহিলাদের শৌচাগারে ফেলে দেন। সেটি উদ্ধারে তদন্তকারী দল সেখানে যাবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তে আরও জানা গেছে, সিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়ী চেতন চৌধুরীর প্রায় এক বছর ধরে সম্পর্ক ছিল। গত ছয় মাসে তাঁদের মধ্যে ২,০০৪ বার ফোনে কথা হয় এবং মোট প্রায় ২৩৮ ঘণ্টা আলাপ চলে বলে পুলিশ জানিয়েছে(Ketan Murder)।
আরও পড়ুন: Musk Birthday: এলন মাস্কের ৫৫তম জন্মদিনে নজরকাড়া স্পেস-থিম পার্টি
১৮ জুন লোহাগড় দুর্গের ৪০০ ফুট গভীর খাদে কেতনের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে দুর্ঘটনা মনে হলেও পরে পুলিশ দাবি করে, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড বিশ্লেষণে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার দিন সিয়া ও চেতন একটি ক্যাফেতে দেখা করে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন এবং দুর্গে এমন একটি জায়গা বেছে নেন, যেখান থেকে কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া যায়(Ketan Murder)। বর্তমানে দু’জনই পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।



