Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশেষ প্রতিবেদন সুমনা বেড়া: ভোজনরসিক বাঙালির পাতে সারা বছর পদ্মা বা গঙ্গার টাটকা ইলিশ তুলে দিতে নয়া উদ্যোগ (Hilsa Fish)। কৃত্রিম উপায়ে ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক মাইলফলক। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে আইসিএআর-কেন্দ্রীয় লবণাক্ত জলজ চাষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা ‘সিবা’-র কেন্দ্রে পথ চলা শুরু করল অত্যাধুনিক ‘স্যালিনিটি গ্রেডিয়েন্ট রিসার্কুলেটরি অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম’।
কী এই বিশেষ প্রযুক্তি? (Hilsa Fish)
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, নদী এবং সমুদ্রের মিলনস্থলে ইলিশ যেভাবে ডিম পাড়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ পায়, ঠিক সেই পরিবেশই হুবহু তৈরি করা হবে এই ইন্ডোর ল্যাবরেটরির ট্যাংকের ভেতরে (Hilsa Fish)। অত্যাধুনিক এই ফিল্টার ব্যবস্থার মাধ্যমে জলের লবণাক্ততা বা স্যালিনিটি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, যা ইলিশ মাছকে ট্যাংকের ভেতরেই কৃত্রিমভাবে ডিম পাড়তে উৎসাহিত করবে। দীর্ঘদিনের গবেষণার পর এই সাফল্যকে ইলিশের চাষে এক বিরাট বিপ্লব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: Haldia Fire Accident: ১৮ ঘণ্টার লড়াইয়ের পর নিয়ন্ত্রণে আগুন, মৃত্যু ১ আহত ২২
এই বিশেষ প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা, সিবার অধিকর্তা ড. কুলদীপ কে. লাল, প্রধান বিজ্ঞানী দেবাশীষ দে সহ বহু গবেষক, স্থানীয় মৎস্যজীবী ও মৎস্য চাষিরা। উদ্বোধনের পাশাপাশি মৎস্যচাষীদের স্বনির্ভর করতে সিবার পক্ষ থেকে বায়োফার্টিলাইজার ও উন্নত মানের মাছের খাদ্য বিতরণ করা হয়। একইসঙ্গে ইলিশের জোগান নিশ্চিত করতে ‘হিলশা মিশন’ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ MoU স্বাক্ষরিত হয় এদিন।

আরও পড়ুন: Heavy Rain Alert: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের সতর্কতা
গবেষকদের আশা, এই পদ্ধতি যদি মাঠ পর্যায়ে পুরোপুরি সফল হয়, তবে আগামী দিনে শুধু প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। কৃত্রিম চাষের মাধ্যমে বাংলার বাজারে সারা বছরই মিলবে পর্যাপ্ত ইলিশ, যার সরাসরি সুফল পাবেন সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে উপকূলের হাজার হাজার মৎস্যজীবী।



