Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মেক্সিকান ওয়েভে দাঁড়াতেই পারল না ইকুয়েডর। বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল আয়োজক দেশ মেক্সিকো (Mexico)।
দাপুটে জয় মেক্সিকোর (Mexico)
একদিকে ফরাসি বিপ্লবের সাক্ষী থেকেছে বিশ্ব ফুটবল। এরপর যে খেলা নিয়ে উত্তেজনা ছিল সেটা হল মেক্সিকো বনাম ইকুয়েডর। সেই ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে পরের পর্বের যোগ্যতা অর্জন করে নিল অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকো। এই ম্যাচে ইকুয়েডরের সেই দাপট দেখা যায়নি একদমই। ঝাঁঝহীন ফুটবল খেলল ইকুয়েডর (Mexico)।
বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল আয়োজক দেশ মেক্সিকো। এই ম্যাচে মেক্সিকো যে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে সেটা জানাই ছিল তবে তবে নজর ছিল ইকুয়েডরের রক্ষণ বিভাগের দিকে। জার্মানিকে হারিয়ে নকআউট পর্বের যোগ্যতা অর্জন করেছিল এই দেশটি। কিন্তু লাতিন আমেরিকার এই দেশটিকে সেই মেজাজে পাওয়া গেল না এই ম্যাচে। জার্মানিকে হারিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কি কাল হল তাঁদের? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের অন্দরে।
এই ম্যাচ ভারতীয় সময় সকাল ৬.৩০টা থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলো বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে ম্যাচ শুরু হতে এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়। জার্মানিকে হারিয়ে ইকুয়েডর এই ম্যাচে খেলতে নেমেছিল আর খুব স্বাভাবিকভাবেই নজর ছিল তাঁদের দিকে। কিন্তু নকআউটের ম্যাচ জিততে যে ফুটবল খেলা দরকার ছিল তাদের থেকে সেটা পাওয়া যায়নি। উল্টে মেক্সিকো প্রথমার্ধেই খেলা শেষ করে দিতে চেয়েছে। আয়োজক দেশ হওয়ায় তারা খেলছেও নিজেদের মাটিতে। ফলে প্রত্যাশার একটা চাপ থাকেই। সে সব পেরিয়েই মেক্সিকো দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে (Mexico)।

আরও পড়ুন: Hilsa Fish: সারা বছর মিলবে ইলিশ! শুরু কৃত্রিম প্রজনন ব্যবস্থার নতুন অধ্যায়
ম্যাচের শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যেই মেক্সিকোর কাছে সুযোগ আসে এগিয়ে আসার। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্ট হয় গিলবার্তো মোরার পা থেকে। তবে সুযোগ হাতছাড়া হলেও মেক্সিকোর আক্রমণের ঝাঁঝ থেকে বোঝাই যাচ্ছিল এগিয়ে যাওয়া তাদের শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২২ মিনিটে রবার্তা আলভারাদোর থেকে বল পেয়ে বাঁ প্রান্ত ধরে ওঠেন জুলিয়ান কিনোনেস। বক্সের কাছাকাছি গিয়ে ডান দিকে কাট করে জোরালো শট মারেন। ইকুয়েডরের গোলকিপারকে পরাস্ত করে সেই বল জড়িয়ে যায় জালে।
এর নয় মিনিটে মধ্যেই আবার দ্বিতীয় গোল মেক্সিকোর। বল পেয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন জিমেনেজ। সেই মুহূর্তেই সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় উচ্ছ্বাস। অনেকেই এই খেলা দেখে মনে করছেন ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মেক্সিকোর। কিন্তু ফাইনালের আগে বেশ কয়েকটি ধাপ পেরোতে হবে তাদের আর সেই ধাপগুলিও মোটেও সহজ হবে না।
ফিফার নিয়মে খেলার মাঝে মুখ ঢেকে কথা বললে সরাসরি লাল কার্ড দেখানোর নিয়ম রয়েছে। তুরস্ক ম্যাচে প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন এ ভাবেই লাল কার্ড দেখেছিলেন। এই দিনের ম্যাচে একই অপরাধ করলেন ইকুয়েডরের হিনক্যাপিয়ে। মেক্সিকোর স্ট্রাইকার সান্তিয়াগো জিমেনেজ়কে মুখ ঢেকে কিছু বলেন তিনি। তা স্পষ্ট ধরা পড়ে ক্যামেরায়। এরপর এর প্রতিবাদ জানানো হলে ভার চেক করে রেফারি লাল কার্ড দেখান (Mexico)।


