Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন(Trump Threat)। বুধবার তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বুধবার রাতেই ইরানের উপর আরও জোরালো হামলা চালাতে পারে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ইরানে আরও জোরালো হামলার হুঁশিয়ারি (Trump Threat)
ট্রাম্প বলেন, “গত রাতে আমরা তাদের খুবই কঠিনভাবে আঘাত করেছি। প্রয়োজন হলে আজ রাতেও আরও বড় হামলা করা হবে। তাদের আগেই সতর্ক করে দিচ্ছি।” তাঁর দাবি, ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
ন্যাটো সম্মেলনের সাইডলাইনে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য। তাঁর অভিযোগ, আলোচনার টেবিলে ইরান সম্মত হলেও পরে সংবাদ সম্মেলনে সেই আলোচনা অস্বীকার করে। ইরানের নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “তাদের আচরণ অস্বাভাবিক। ৪৭ বছর ধরে তারা মধ্যপ্রাচ্যে দাদাগিরি করেছে, কিন্তু এখন আর সেই অবস্থানে নেই। আমরা শুধু চাই, তারা যেন কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।”
এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের আরও নৌযান ধ্বংস করতে পারে এবং বিদ্যুৎ ও পানির অবকাঠামোও লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে। যদিও পরে তিনি জানান, এমন পদক্ষেপ নিতে তিনি আগ্রহী নন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হতে পারে(Trump Threat)।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার জবাবে বান্দার আব্বাস, সিরিক ও কেশম দ্বীপে ইরানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালায় এবং ইরানি তেল বিক্রির লাইসেন্সও বাতিল করে(Trump Threat)। পাল্টা হিসেবে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বৃহত্তর সংঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে।



