Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মহারাষ্ট্রের দোম্বিভলির শাস্ত্রী নগর হাসপাতালের চিকিৎসকদের ওপর শিবসেনা কর্পোরেটর রাকেশ (রমেশ) মত্রের হামলার ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে(Maha Hospi Inci)। হামলার শিকার এক মহিলা চিকিৎসক নিরাপত্তাহীনতার কারণে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এবং শহরও ছেড়ে চলে গেছেন। এর একদিন আগেই ওই ঘটনায় আক্রান্ত আরেক চিকিৎসকও পদত্যাগ করে দোম্বিভলি ছেড়েছেন।
নিরাপত্তাহীনতায় চাকরি ছাড়লেন মহিলা চিকিৎসক (Maha Hospi Inci)
মহিলা চিকিৎসক জানান, “আমি খুব ভয়ে আছি। দুষ্কৃতীরা আমাদের ওপর নজর রাখছে। তাই চাকরি ছেড়ে শহর ছেড়েছি। তারা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আমি আর ওই হাসপাতালে ফিরব না।”
গত সোমবার নবজাতককে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রাকেশ মত্রে ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী কেডিএমসি পরিচালিত শাস্ত্রী নগর হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধর করেন। হাসপাতালের সিসিটিভি ও ভাইরাল ভিডিওতে এক মহিলা চিকিৎসকসহ একাধিক কর্মীর ওপর হামলার দৃশ্য ধরা পড়ে। ঘটনার তীব্র সমালোচনার মুখে বুধবার পুলিশ মত্রেকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থতার কারণে তাঁকে থানে সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের দাবি, তাঁর একটি মাত্র কিডনি রয়েছে, রক্তচাপ বেড়েছে এবং বারবার বমি হচ্ছে। তাঁকে আইসিইউতে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পুলিশ ও প্রতিরক্ষা আইনজীবী আদালতে আবেদন করে অসুস্থতার কারণে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মত্রেকে হাজির করার অনুমতি চান। তবে কল্যাণ আদালত সেই আবেদন খারিজ করে জানায়, অভিযুক্তকে সশরীরে আদালতে হাজির করাতে হবে। বিচারক স্পষ্ট করেন, তা না হলে পুলিশ বা বিচারবিভাগীয় হেফাজতের আবেদনও মঞ্জুর হবে না(Maha Hospi Inci)।
আরও পড়ুন: China Fire: চিনের পূর্বাঞ্চলে জুতো কারখানায় আগুন: ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা
এদিকে এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মত্রে নিজের আচরণের জন্য দুঃখপ্রকাশ করতে অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, তিনি মহিলা চিকিৎসককে মারেননি, শুধু ফোনে কথা বলছিলেন বলে তাঁর হাত ও ফোন সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন(Maha Hospi Inci)। তবে হামলার শিকার চিকিৎসকদের অভিযোগ, তাঁরা এখনও হুমকি পাচ্ছেন এবং সেই কারণেই চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।



