Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মস্থান মাশহাদে সমাহিত(Khamenei Funeral)। এর মধ্য দিয়ে ইরান ও ইরাকজুড়ে ছয় দিন ধরে চলা শোকানুষ্ঠান ও শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিক পর্বের সমাপ্তি ঘটে।
মাশহাদে সমাহিত খামেনেই (Khamenei Funeral)
খামেনেইয়ের মরদেহবাহী বিমানটি পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে পৌঁছানোর সময় অন্তত একটি যুদ্ধবিমান সেটিকে নিরাপত্তা দিয়ে এসকর্ট করে। সর্বোচ্চ নেতার দফতর প্রকাশিত ভিডিওতে সেই দৃশ্য দেখা গেছে।
খামেনেইয়ের কফিনের পাশাপাশি ছিল তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যের কফিনও। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তাঁরা নিহত হন। ওই হামলাকেই মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কফিনগুলো ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় বিশাল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত শোকানুষ্ঠান শেষে মাশহাদে আনা হয়।
এর আগে তেহরান, ধর্মীয় নগরী কোম এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় টানা পাঁচ দিন ধরে শোকানুষ্ঠান পালিত হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁকে ইমাম রেজার পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়। এটি ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। এখানেই শায়িত রয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, যিনি ২০২৪ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হন।
খামেনির সঙ্গে একই কবরস্থানে সমাহিত করা হয় তাঁর শিশু নাতনি, জামাতা, কন্যা এবং ছেলে মোজতবা খামেনেইয়ের স্ত্রী জাহরা হাদ্দাদ আদেলকে। তাঁরাও ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহত হন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএর তথ্য অনুযায়ী, দাফনের নমাজে ইমাম ১০১ বছর বয়সী রক্ষণশীল আলেম আয়াতোল্লাহ হোসেইন নুরি হামেদানি। খামেনির দফতরের প্রধান মোহাম্মদ মোহাম্মাদি-গোলপায়েগানি জানান, নিজের জন্মস্থান মাশহাদেই সমাহিত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন খামেনেই(Khamenei Funeral)।
এদিকে দাফনের প্রস্তুতি চলার মধ্যেই টানা দ্বিতীয় দিনে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইরানের দাবি, তারা কুয়েত, বাহরিন ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে আবারও হামলা শুরু করেছে(Khamenei Funeral)। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা নতুন করে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।



