Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হরমুজ প্রণালীতে সাম্প্রতিক সংঘাত ও তেল পরিবহণে সাময়িক বিঘ্নের পর দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস সংস্থা ওএনজিসি (ONGC) কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালুরুতে ১৭.৫ লক্ষ মেট্রিক টন ক্ষমতার নতুন পেট্রোলিয়াম মজুত গড়ার প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে(Hormuz Strategic Storage)।
ম্যাঙ্গালুরু প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের সম্প্রসারণে সম্মতি (Hormuz Strategic Storage)
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে ম্যাঙ্গালুরু প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের সম্প্রসারণে বোর্ড সম্মতি দিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভারতের কৌশলগত অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রথমবারের মতো এই ধরনের কৌশলগত তেল ভাণ্ডার তৈরিতে অর্থায়ন করবে ওএনজিসি।
ভারত বর্তমানে প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৮৫ শতাংশেরও বেশি আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক সংঘাত বা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সেই ঝুঁকি কমাতেই জরুরি তেল মজুত বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে কেন্দ্র।
বর্তমানে বিশাখাপত্তনম, মঙ্গালুরু এবং পাদুরে মোট ৫.৩৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন কৌশলগত তেল সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই মজুত ২০১৯-২০ সালের চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ৯.৫ দিনের অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম।
এছাড়া ওড়িশার চাঁদিখোলে ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং কর্ণাটকের পাদুরে আরও ২.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন ক্ষমতার নতুন তেল ভাণ্ডার তৈরির কাজও চলছে।
মঙ্গালুরু ইতিমধ্যেই ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র। এখানে এমআরপিএল-এর ৩ লক্ষ ব্যারেল দৈনিক শোধনাগার রয়েছে। বিদ্যমান কৌশলগত তেল ভাণ্ডারের একাংশ এমআরপিএল এবং অন্য অংশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (ADNOC)-কে লিজ দেওয়া হয়েছে(Hormuz Strategic Storage)।
আরও পড়ুন: Kolkata Cadini: কলকাতায় ক্যাডিনি: ইতালির প্রিমিয়াম ‘সিগনেচার লাইন’-এর অটাম-উইন্টার ২০২৬ কালেকশন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরের সময় ADNOC ভারতে ৩ কোটি ব্যারেল পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিল(Hormuz Strategic Storage)। পাশাপাশি ফুজাইরাহে ভারতের জন্য কৌশলগত তেল সংরক্ষণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে তেলের সরবরাহ, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।



