Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের কারাগারে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত অপরাধ, মাদক পাচার, চাঁদাবাজি ও হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে আমেরিকা। একই সঙ্গে ভারত থেকে তাঁকে প্রত্যর্পণের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ(Lawrence Bishnoi)। এই মামলায় আবারও সামনে এসেছে ২০২৩ সালে কানাডায় খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যার ঘটনা।
নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ (Lawrence Bishnoi)
লস অ্যাঞ্জেলেসের ফেডারেল আদালতে প্রকাশিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বিষ্ণোই ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী গোল্ডি ব্রার (সতিন্দরজিৎ সিং) নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তবে অভিযোগপত্রে ভারত সরকার বা কোনও সরকারি সংস্থার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়নি।
‘অপারেশন হার্ড বল’ নামে বহুজাতিক তদন্তে এফবিআই, মার্কিন বিচার বিভাগ, লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ও কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালায়। মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে ২৪ জন ইতিমধ্যেই গ্রেফতার বা হেফাজতে রয়েছেন।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, জেলে বসেই চোরাই মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষ্ণোই তাঁর চক্র পরিচালনা করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে র্যাকেটিয়ারিং (RICO আইন), হত্যার ষড়যন্ত্র, চাঁদাবাজি, আন্তর্জাতিক মাদক পাচার ও আন্তঃদেশীয় অপরাধচক্র পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মার্কিন প্রসিকিউটর বিল এসাইলি জানিয়েছেন, বিষ্ণোইকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের চেষ্টা করা হবে। তবে ভারত-আমেরিকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী বিষয়টি সহজ নয়। ভারতের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, আদালত এবং শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনের পরই প্রত্যর্পণ সম্ভব(Lawrence Bishnoi)।
এদিকে, বিষ্ণোইয়ের বিরুদ্ধে ভারতে ৮৪টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। সিদ্ধু মুসেওয়ালা হত্যা-ষড়যন্ত্রসহ একাধিক গুরুতর মামলায় তিনি অভিযুক্ত(Lawrence Bishnoi)। ফলে দেশীয় বিচারপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর প্রত্যর্পণ দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।



