Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অনন্যা দে: তিন-দিক সীমান্ত ঘেরা দক্ষিণ দিনাজপুর (Vibrant Village) জেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির আর্থিক ও সামাজিক ভোলবদল করতে বড়সড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ প্রকল্পের আওতায় জেলার ৬৬টি সীমান্ত গ্রামকে সাজিয়ে তোলা হবে। রাস্তা, বিদ্যুৎ, টেলিকম ও ইন্টারনেটের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা হবে স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগও।
‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ (Vibrant Village)
তিন-দিক সীমান্ত বেষ্টিত হবার ফলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার (Vibrant Village) বেশিরভাগ সীমান্তবর্তী গ্রামই আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। এবার সেই সমস্ত অনুন্নত গ্রামকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে সমৃদ্ধ করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আপাতত ৬৬ টি গ্রামকে ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
চারটি বিষয়ের উপর জোর (Vibrant Village)
এই প্রকল্পে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বর্ডার ম্যানেজমেন্ট (Vibrant Village) বিভাগের মাধ্যমে মূলত চারটি বিষয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হবে— গ্রামীণ রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ পরিষেবা, টেলিকম এবং ইন্টারনেট। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা এবং পশুপালনের মতো একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধাও সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে গ্রামবাসীদের কাছে। শুধু পরিকাঠামোই নয়, গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা হবে স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগও।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর (Vibrant Village)
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের আওতাধীন প্রতিটি গ্রামের উন্নয়নের জন্য প্রায় তিন কোটি টাকা করে বরাদ্দ করা হতে পারে।জেলা প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই প্রতিটি গ্রামের জন্য আলাদা আলাদা অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে কেন্দ্রের কাছে বরাদ্দের দাবি জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: Sohini Sarkar Pregnancy: বিবাহবার্ষিকীতেই সুখবর, মা হতে চলেছেন সোহিনী
গোটা রাজ্যের মধ্যে কোচবিহারের পর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ গড়ে তোলা হচ্ছে।জেলায় মোট আটটি ব্লকের মধ্যে বংশীহারী এবং হরিরামপুর বাদে বাকি ৬টি ব্লকেই সীমান্ত রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রাম রয়েছে বালুরঘাটে। বালুরঘাট ব্লকের ১৮ টি গ্রাম, গঙ্গারামপুর ব্লকের তিনটি গ্রাম, হিলি ব্লকের ১৭ টি গ্রাম, কুমারগঞ্জ ব্লকের ৮টি গ্রাম, কুশমন্ডি ব্লকের ৩টি গ্রাম, তপন ব্লকের ১৭ টি গ্রামকে ভাইব্রেন্ট ভিলেজের আওতায় আনা হবে।
আগে সীমান্ত উন্নয়ন তহবিলের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে সমৃদ্ধ করা হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ওই প্রকল্পের ফান্ড বন্ধ ছিল। ফলে সীমান্তবর্তী জেলার বহু গ্রামের রাস্তা এখনো বেহাল হয়ে রয়েছে, অনেক গ্রামে ইন্টারনেট এবং মোবাইলের পরিষেবা পর্যন্ত পৌঁছায় না। অনেক জায়গাতে বৈদ্যুতিক পরিষেবা পেতেও সমস্যা হয়। এবার ভাইব্রেন্ট ভিলেজ ২.০ প্রকল্পের আওতায় গ্রামগুলি সমৃদ্ধ এবং বিকশিত করা হবে। এই উদ্যোগে খুশি সীমান্তবর্তী গ্রামের মানুষ।


