Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফুটবল তুমি কত সুন্দর! ফুটবল যে শুধু খেলা নয়, এ এক আবেগ (World Cup 2026)। লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে আবার তা প্রমাণিত হল। সাম্প্রতিক সময়ে ফুটবল তারকাদের প্রতি ভালোবাসা ও উন্মাদনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, নবজাতক শিশুদের নাম রাখার ক্ষেত্রেও তারা বেছে নিচ্ছেন প্রিয় (World Cup 2026) ফুটবলারদের নাম। পেরুর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের নাম রাখছেন লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, নেইমার ও আর্লিং হাল্যান্ডের মতো বিশ্বসেরা তারকাদের নামে।
ফুটবলারদের নামের তালিকায় শীর্ষে নেইমার (World Cup 2026)
ফুটবল তারকাদের নামে নাম রাখার এই ট্রেন্ডে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র (World Cup 2026)। পেরুতে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৩,৮০৯ জনের নাম রাখা হয়েছে ‘নেইমার’ নামে। এই বিশাল সংখ্যাটি ফুটবল তারকার প্রতি মানুষের আবেগ।
হাল্যান্ড-উন্মাদনায় মেতেছে পেরু (World Cup 2026)
তালিকায় নতুন চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন নরওয়ের (World Cup 2026) গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ড। পেরুর শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘পেরু ২১’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ চলাকালীন অন্তত ৪৬৮ জন নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে হাল্যান্ডের নামে। শুধু ডাকনাম নয়, ৯১ জন অভিভাবক তাদের সন্তানের পুরো নাম রেখেছেন ‘আর্লিং হালান্ড’ এবং ৪ জন রেখেছেন ‘আর্লিং ব্রাউট হাল্যান্ড’। মাঠের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের সুবাদে পেরুর মানুষের কাছে তিনি এখন ‘একজন পেরুভিয়ান’-এর মতোই আপন হয়ে উঠেছেন।
আরও পড়ুন: East Bengal: বিষ্ণুর হ্যাটট্রিকে ফাইভ স্টার ইস্টবেঙ্গল
অন্যান্য তারকাদের প্রভাব (World Cup 2026)
তালিকায় পিছিয়ে নেই ফুটবল বিশ্বের অন্যান্য কিংবদন্তিরাও:
* লিওনেল মেসি: মোট ৩,৪০২ জনের নাম রাখা হয়েছে মেসির নামে। এর মধ্যে ২৯২ জনের পুরো নাম রাখা হয়েছে ‘লিওনেল মেসি’।
* লামিন ইয়ামাল: স্পেনের তরুণ এই তারকার নামে ১,২৪১ জনের নাম রাখা হয়েছে।
* ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো: পর্তুগিজ এই মহাতারকার নামে নাম রাখা হয়েছে ১,১৮৫ জনের।
কেন এই প্রবণতা? (World Cup 2026)
পেরুর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন সংস্থার মুখপাত্র ইভান তোরেস জানিয়েছেন, ফুটবল তারকারা দেশটির সাধারণ মানুষের জন্য বড় অনুপ্রেরণার উৎস। খেলাধুলার প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকেই অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের সফল ফুটবলারদের নামে নামকরণ করেন। বিশ্বকাপ বা বড় কোনো টুর্নামেন্টের সময় এই প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পায়।
লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে ফুটবলারদের নামে শিশুদের নাম রাখার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। এতদিন এই তালিকায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার তারকারাই আধিপত্য বিস্তার করতেন। তবে এবার নরওয়ের আর্লিং হাল্যান্ড সেই চিরচেনা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। পেরুর প্রতিটি ঘরে এখন ফুটবল তারকার নামের জয়জয়কার, যা প্রমাণ করে ফুটবলের আবেদন সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে।



