Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কুদনকুলামে ফের সাইবার হানার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে(Nuclear Data Breach)। ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’ (World Leaks) নামের একটি রানসামওয়্যার গ্রুপ ডার্ক ওয়েবে এই কেন্দ্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ব্লুপ্রিন্ট ফাঁস করেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে এই ঘটনায় পরমাণু সুরক্ষার কোনো ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করেছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (NPCIL)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ ভি।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যে সিস্টেমটি হ্যাক হয়েছে তা মূলত সাধারণ পরিষেবা সংক্রান্ত এবং এর সাথে মূল পরমাণু চুল্লির নিরাপত্তা বা সুরক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই।
কী কী তথ্য ফাঁস হয়েছে? (Nuclear Data Breach)
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়া নথির মধ্যে রয়েছে:
পরমাণু কেন্দ্রের কিছু অংশের ব্লুপ্রিন্ট বা নকশা
যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীদের (Suppliers) বিশদ বিবরণ
বিভিন্ন সরঞ্জামের রিভিউ ও পরিদর্শন (Inspection) রেকর্ড
পরমাণু কেন্দ্রের এক ঠিকাদার স্বীকার করেছেন যে, একটি থার্ড-পার্টি ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা তাদের সার্ভারে ‘আংশিক ফাটল’ ধরেছিল। তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা ‘রসাটম’-এর সরবরাহ করা মূল পরমাণু চুল্লি ব্যবস্থার (Reactor Core) সাথে এর কোনো সংযোগ নেই।
বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও পূর্ব ইতিহাস (Nuclear Data Breach)
যদিও এনপিসিআইএল সুরক্ষার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে, তবে ‘নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভ’-এর সিনিয়র ডিরেক্টর নিকোলাস রথ মনে করেন, এই ধরনের তথ্য ফাঁস কেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য “গুরুতর” ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
আরও পড়ুন: Sonam Wangchuk: সোনম ওয়াংচুক-এর অনশন ১৮ দিনে: দিল্লি হাইকোর্টে জরুরি শুনানি
তামিলনাড়ুর কুদনকুলাম পরমাণু কেন্দ্রটি ৬,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ভারতের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক প্রকল্প। এর আগেও ২০১৯ সালে এই কেন্দ্রে ম্যালওয়্যার হানা শনাক্ত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে প্রতিহত করা হয়(Nuclear Data Breach)। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বারবার সাইবার হামলা ভারতের পরমাণু পরিকাঠামোর সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরছে।



