Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণুঃ গুরুর্দেবো মহেশ্বরঃ (Guru Purnima 2026)।গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥ এই সংস্কৃত কথাটির অর্থ হল গুরুই ব্রহ্মা, গুরুই বিষ্ণু এবং গুরুই দেবাধিদেব মহেশ্বর। গুরুই পরম ব্রহ্ম, সেই শ্রী গুরুকে আমার প্রণাম। গুরু শিষ্যের কাহিনী ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকে। যেমন একলব্য ও তার গুরুর কাহিনী। কিন্তু জানেন কেন পালন করা হয় গুরু পূর্ণিমা?
নেপথ্যে কোন কারণ? (Guru Purnima 2026)
সনাতন হিন্দু ধর্মে বলা হয়েছে গুরু ঈশ্বরের (Guru Purnima 2026) তুল্য। গুরু পূর্ণিমা ভারতীয় সংস্কৃতিতে গুরু-শিষ্য সম্পর্কের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব। এই বিশেষ দিনে জ্ঞানের পথপ্রদর্শক গুরুকে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। শাস্ত্র মতে, গুরু শুধু বিদ্যা দান করেন না, তিনি জীবনের সঠিক পথও দেখান। অজ্ঞানের অন্ধকার দূর করে সত্য, নীতি ও মানবিকতার শিক্ষা দেন তিনি।
মানুষের আসল সম্পদ
জীবনের কঠিন সময়ে ধৈর্য, সংযম ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তি গুরুর শিক্ষার মাধ্যমেই অর্জিত হয়। সাফল্যে যেন অহংকার না আসে এবং ব্যর্থতায় যেন মনোবল ভেঙে না পড়ে, সেই মূল্যবোধও গুরুই শিখিয়ে দেন। অর্থ-সম্পদ একদিন হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু গুরুর দেওয়া জ্ঞান ও সংস্কার সারাজীবন মানুষের সম্পদ হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: Teachers Protest: রাজ্যে পালাবদলের পরও সুরাহা অধরা! ৭ আগস্ট ফের পথে চাকরিহারারা
মহর্ষি বেদব্যাসের জন্মতিথি উপলক্ষে এই দিনটি ব্যাস পূর্ণিমা নামেও পরিচিত। গুরু পূর্ণিমায় গুরুর আশীর্বাদ গ্রহণ, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করার সংকল্প নেওয়াকেই সবচেয়ে বড় সম্মান বলে মনে করা হয়। শাস্ত্রের মতে, গুরুর শিক্ষা জীবনে বাস্তবায়ন করাই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা প্রকাশের সর্বোত্তম উপায়।


