Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে নদীয়ার কৃষ্ণনগরে এক ১৮ বছরের তরুণীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনা ঘটে (C M Janatar Darbar)। সে সময় তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পুলিশ এই ঘটনাটিকে “আত্মহত্যা” বলে দাবি করেছিল, যা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং পরিবারটি একে ধর্ষণ ও পুড়িয়ে খুন বলে দাবি করে।
কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস (C M Janatar Darbar)
২০২৬ সালের ৩০ জুলাই প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর, সুবিচারের আশায় নিহতের মা মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’-এ হাজির হন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তৎকালীন প্রশাসন ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে এবং তৎকালীন পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট (C M Janatar Darbar)
২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানা এলাকায় ওই তরুণীর অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারটির অভিযোগ ছিল, মেয়েটিকে ধর্ষণের পর অ্যাসিড বা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে।
ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ (C M Janatar Darbar)
তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন প্রথমে খুনের মামলা নিলেও পরে ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করে এবং পরিবারের ধর্ষণ ও খুনের এফআইআর গ্রহণে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।
শুভেন্দু অধিকারীর পদক্ষেপ (C M Janatar Darbar)
তৎকালীন সময়ে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি করেছিলেন। বর্তমানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর, নির্যাতিতার মা সমস্ত নথিপত্র নিয়ে তাঁর দ্বারস্থ হলে তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থার নির্দেশ দেন।
বিভাগীয় ব্যবস্থা (C M Janatar Darbar)
এই ঘটনার পাশাপাশি, তৎকালীন তৃণমূল সরকারের আমলে কৃষ্ণনগরে বিভিন্ন পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও বাড়াবাড়ির অভিযোগে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার তৎকালীন আইসি (IC) অমলেন্দু বিশ্বাস সহ মোট ৫ জন পুলিশ কর্মীকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন (C M Janatar Darbar)
পূর্বতন সরকারের আমলে নারীদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া অপরাধের যে সমস্ত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান সরকার সেগুলির পুনরায় সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন পুলিশ অফিসারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে।
আরও পড়ুন: Birbhum: দিনমজুর থেকে হাজার কোটির মালিক! রাতারাতি বদলে গেল টুলু মণ্ডলের ভাগ্য
বিজেপির বিরুদ্ধেই অভিযোগ
অভিযোগ যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখার্জির বিরুদ্ধে। যাদবপুরের এক বাসিন্দার অভিযোগ তার দোকান ঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে। এর আগে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এবং তৃণমূলের প্রভাবশালী লোকেরা তার দোকান ঘর ভাঙচুর করেছেন। তৃণমূল আশেতো দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচতে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন কিন্তু বিজেপি ও তাদের সাথে প্রতারণা করছে এই অভিযোগ নিয়ে তারা এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী জনতার দরবারে।



