Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গার সময় ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB) কর্মকর্তা অঙ্কিত শর্মাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যার ঘটনায় আম আদমি পার্টি (AAP)-র প্রাক্তন কাউন্সিলর তাহির হুসেন এবং অন্য চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির অতিরিক্ত সেশনস আদালত(AAP Tahir Hossain)। প্রসিকিউশনের মৃত্যুদণ্ডের আবেদন খারিজ করে আদালত এই রায় প্রদান করে।
আদালতের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ (AAP Tahir Hossain)
অত্যন্ত নৃশংস অপরাধ: আদালত উল্লেখ করে যে, অঙ্কিত শর্মাকে অপহরণ করে নির্মমভাবে মারধর ও হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তাঁর শরীরে ৫১টি গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
পশুর মতো আচরণ: বিচারক প্রবীণ সিং পর্যবেক্ষণ করেন, “দেহটিকে পশুর মতো টেনে নিয়ে গিয়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়। এই হিংস্রতা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও পীড়াদায়ক।”
মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাখ্যানের কারণ: প্রসিকিউশন চরম শাস্তির দাবি জানালেও আদালত জানায়, অভিযুক্তরা সংশোধনের অতীত এমন কোনো তথ্য প্রমাণ হিসেবে জমা পড়েনি। তাঁদের পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড না থাকা এবং জেল হেফাজতে সন্তোষজনক আচরণ বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডের বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মঞ্জুর করা হয়(AAP Tahir Hossain)।
আরও পড়ুন:Pavan Malhotra: সংসদে ঢুকে যাবে, আর পুলিশ থামাবে না?: দিল্লির জেনজি বিক্ষোভ নিয়ে অকপট বলি অভিনেতা
মামলার পটভূমি ও পরবর্তী পদক্ষেপ (AAP Tahir Hossain)
নিখোঁজ ও দেহ উদ্ধার: ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি অঙ্কিত শর্মা নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর বাবা রবীন্দ্র কুমার এফআইআর দায়ের করেন। পরবর্তীতে চাঁন্দবাগ পুলিয়ার কাছের এক নালা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: গ্রেপ্তারের পর তাহির হুসেনকে দল থেকে বরখাস্ত করেছিল আম আদমি পার্টি। আদালত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খারিজ করলেও হত্যা ও দাঙ্গার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে।
আইনি আপিল: দিল্লি পুলিশ তদন্ত নিরপেক্ষ হওয়ার দাবি জানালেও আসামীপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, অঙ্কিত শর্মার পরিবার আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অটল রয়েছে।



