Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিপুল দাস, কোচবিহার: দীর্ঘদিন ধরেই ধুঁকছে (Gopalpur PHC) কোচবিহার ২নং ব্লকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অবস্থিত গোপালপুর পিএইচসি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল সরকারের দীর্ঘ ১৫বছরে রীতিমতো স্বাস্থ্য পরিষেবা তলানিতে ঠেকেছে এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের। একজন মাত্র চিকিৎসক দীর্ঘদিন যাবত এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বহির্বিভাগে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন সাধারণ মানুষের। কিন্তু সম্প্রতি বদলি হয়ে যাওয়ায় তিনিও আসছেন না এই সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে। এই পরিস্থিতিতে নূন্যতম চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট এই এলাকার বাসিন্দারা। অবিলম্বে এই সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক নিয়োগ সহ ২৪ঘন্টা চিকিৎসা পরিষেবা চালু রাখার দাবিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার এর সামনে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা।
গ্রামবাসীদের বক্তব্য (Gopalpur PHC)
এদিন আন্দোলনরত গ্রামবাসীরা জানান, ৯০ এর দশকের (Gopalpur PHC) মাঝামাঝি সময়ে চালু হয় এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। এই সময় এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় সব রকম চিকিৎসা পরিষেবা পেতেন গ্রামবাসীরা। প্রসূতি মায়েদের প্রসব, লাইগেশন সহ বিভিন্ন ছোট অস্ত্রোপচারও হতো এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। শুধু গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারাই নয়, পার্শ্ববর্তী বড়রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েত ও মরিচবাড়ি খোল্টা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একাংশের মানুষের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছিল এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি।
আরও পড়ুন: DA Case: ডিএ মামলায় বড় পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের, ২ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমার নির্দেশ
কিন্তু অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ১৫বছর যাবত চিকিৎসা পরিষেবা (Gopalpur PHC) কার্যত তলানিতে ঠেকেছে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির। জলাতঙ্কের প্রতিষেধক কিংবা সাপে দংশনের পর অ্যান্টিভেনাম-এর মত জরুরী ইনজেকশনও পাওয়া যায় না এই সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সংশ্লিষ্ট এই এলাকার মানুষেরা সামান্য অসুস্থ হলে বাহ কৃষি প্রধান এই এলাকায় কাউকে সাপে দংশন করলে এই রোগীদের নিয়ে তড়িঘড়ি ছুটতে হয় প্রায় ১৪কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। সময় মতো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব না হলে প্রাণহানির ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে তাই এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসা পরিষেবা সচল করার পাশাপাশি এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসকের বদলি রদ করে তাকে পুনরায় এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পুনর্বহালের দাবিতে এদিন সোচ্চার হন গ্রামবাসীরা।
এই প্রসঙ্গে কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক সুকুমার রায় বলেন, এ বিষয়টি সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল। সংশ্লিষ্ট এই এলাকার মানুষেরা যাতে এই সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে সঠিক ভাবে চিকিৎসা পরিষেবা পান, এব্যাপারে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।


