Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীতকাল মানেই কুয়াশা, কমে আসে দৃশ্যমানতা, আর বাড়ে পথদুর্ঘটনার সংখ্যা (Accident of Wedding Bus)। বুধবার গভীর রাতে মালবাজার শহরে ঘটল ঠিক এমনই এক ঘটনা। বানারহাট থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করা বরযাত্রীবোঝাই একটি বাস হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঠে পড়ল রাস্তার ধারের চা-পানের দোকানে। সৌভাগ্যবশত, অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেলেন বাসে থাকা ৫৫ জন বরযাত্রী।
কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা (Accident of Wedding Bus)
বুধবার রাতের সেই সময়টা ছিল সম্পূর্ণ নির্জন। রাস্তাঘাটে মানুষজন নেই বললেই চলে। ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলছিল বরযাত্রীদের বিশেষ বাসটি। হঠাৎই চালকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা উঠে পড়ে মালবাজার শহরের হাসপাতাল ও থানার সামনে থাকা চা ও পানের দোকানে। স্থানীয় ব্যবসায়ী বক্তব্য, “গভীর রাত ছিল। হঠাৎ দেখি প্রচণ্ড শব্দ। বেরিয়ে দেখি বরযাত্রী-বোঝাই বাসটি দোকানের ওপর উঠে এসেছে।’’
রক্ষা পেলেন ৫৫ জন বরযাত্রী? (Accident of Wedding Bus)
দুর্ঘটনার তীব্রতা সত্ত্বেও আশ্চর্যজনকভাবে বাসে থাকা কোনও যাত্রীর বড় ধরনের আঘাত লাগেনি। কেবল কয়েকজন সামান্য চোট পান বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল ফাঁকা থাকায় বড় প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো গেছে। এ যেন নিছক বরাতজোরেই রক্ষা পেলেন ৫৫ জন যাত্রী।
স্থানীয় দোকানে ব্যাপক ক্ষতি (Accident of Wedding Bus)
বাসটি রাস্তার ধারের চা ও পানের দোকানে উঠে পড়ায় দোকানগুলির ক্ষতি হয়েছে বেশ কিছুটা। দোকানের কাঠামো ভেঙে পড়ে, নষ্ট হয় সামগ্রী। তবে দোকান বন্ধ থাকায় কেউ আহত হননি। ব্যবসায়ীদের মতে, দোকান খোলা থাকলে প্রাণহানি এড়ানো কঠিন হতো।
পুলিসের তৎপরতা ও উদ্ধারকাজ (Accident of Wedding Bus)
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মালবাজার থানার পুলিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রথমে বাসটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, বরযাত্রীদের রাতেই অন্য গাড়িতে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে দেখছে পুলিস, স্থানীয় সূত্রে অনুমান, কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতা এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: Sholay Screening Cancelled: শেষমুহূর্তে কেন থেমে গেল ‘শোলে’-র গোল্ডেন জুবিলি স্ক্রিনিং?
বিয়ের মৌসুমে বাস দুর্ঘটনা?
শীতের মৌসুমে বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে বিয়ের যাতায়াত বাড়ে। সঙ্গে বাড়ে ভোররাত ও গভীর রাতে বহির্গমনকারীদের সংখ্যা।
সাধারণত এই সময় দেখা যায়, ঘন কুয়াশায় রাস্তা কম দেখা যায়, দীর্ঘক্ষণ ড্রাইভিংয়ে ক্লান্তি বাড়ে, ওভারলোডেড বাস নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি বাড়ায়, এই সব মিলিয়েই দুর্ঘটনার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে।



