Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বুধবার সাতসকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি থেকে যে খবর সামনে এসেছে, তা দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে (Ajit Pawar)। সংবাদসংস্থা সূত্রে দাবি করা হয়েছে, অবতরণের সময় একটি প্রাইভেট বিমান ভেঙে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ওই বিমানে ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনাতেই ৬৬ বছর বয়সি অজিত পাওয়ারের মৃত্যু হয়েছে।

অবতরণেই সর্বনাশ (Ajit Pawar)
খবর অনুযায়ী, মুম্বই থেকে বারামতির উদ্দেশে রওনা দেওয়া প্রাইভেট বিমানটি বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করছিল। ঠিক সেই সময়েই বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ হারান এবং বিমানটি বিমানবন্দরের কাছেই একটি খোলা মাঠে ভেঙে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ নেয়।
বিমানে কারা ছিলেন (Ajit Pawar)
সংবাদসূত্রে জানা যাচ্ছে, বিমানে অজিত পাওয়ার ছাড়াও তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। মোট সাত জন যাত্রী থাকার কথা বলা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। যদিও পিটিআই সূত্রের দাবি অনুযায়ী, গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর অজিত পাওয়ারের মৃত্যু হয়।

প্রশাসনিক তৎপরতা (Ajit Pawar)
বিমান দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। দমকল বাহিনী, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে বিমানটি পাহাড়ি ও তুলনামূলক দুর্গম এলাকায় ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজে কিছুটা সময় লাগে বলেও দাবি করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে যাত্রীদের বের করে আনার কাজ চলে দীর্ঘ সময় ধরে।
বারামতি সফরের উদ্দেশ্য (Ajit Pawar)
সূত্রের দাবি অনুযায়ী, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারের জন্যই বুধবার সকালে বারামতির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত পাওয়ার। এদিন বারামতিতে তাঁর তিনটি জনসভা করার কথা ছিল। নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই এমন দুর্ঘটনার খবর রাজনৈতিক মহলে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
তদন্তের দাবি (Ajit Pawar)
প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটিকেই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে বিমানটি কী কারণে নিয়ন্ত্রণ হারাল, রক্ষণাবেক্ষণে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, আবহাওয়ার কোনও ভূমিকা ছিল কি না এই সমস্ত প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞ মহল ও রাজনৈতিক মহল থেকে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি উঠেছে।

আরও পড়ুন: Bank: ধাক্কা ব্যাঙ্কিং পরিষেবায়, ৫ দিনের কাজের দাবিতে ডাক ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের
সামাজিক প্রতিক্রিয়া
অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। তাঁর নামে এমন দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। দল-মত নির্বিশেষে বহু নেতা গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই ঘটনা নিয়ে তীব্র আবেগ ও উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।



