Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বুলগেরিয়ার অন্ধ সাধিকা বাবা ভাঙ্গা (Baba Vanga) আজও বিশ্বজুড়ে রহস্য ও কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। ১৯১১ সালে জন্ম নেওয়া এই নারী ১৯৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর ভবিষ্যৎবাণী এখনও আলোচনার বিষয় হয়ে আছে। চেরনোবিল দুর্ঘটনা থেকে শুরু করে ৯/১১ হামলার মতো বড় ঘটনা অনেকেই বিশ্বাস করেন, তা তিনি আগে থেকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এবার ২০২৬ সালকে কেন্দ্র করে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যৎবাণী নতুনভাবে বিশ্ববাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ভীতি সঞ্চার করেছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা (Baba Vanga)
প্রথমত, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনার (Baba Vanga) বিষয়টি সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। বাবা ভাঙ্গা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, ২০২৬ সালে ইউরোপ এবং বিশ্বের প্রধান পরাশক্তিগুলোর মধ্যে ভয়াবহ সংঘাত দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছাতে পারে। তাঁর আশঙ্কা, এমন সংঘাতের ফলে ইউরোপের অনেক অঞ্চল জনশূন্য হয়ে পড়তে পারে এবং বিশ্বব্যাপী একটি গভীর সংকটের সৃষ্টি হতে পারে। এই ভবিষ্যৎবাণী বিশ্ব রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই চলমান উত্তেজনা এবং অস্থিরতার মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
প্রযুক্তির অগ্রগতি (Baba Vanga)
দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তির অগ্রগতিও বাবা ভাঙ্গার (Baba Vanga) সতর্কবার্তার মধ্যে রয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, ২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। রোবট ও মেশিনগুলো স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে, যা মানবজাতির জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ইতিবাচক প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনই এর অপব্যবহার বা নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধি বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ
তৃতীয়ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগও ২০২৬ সালের বড় সতর্কবার্তার মধ্যে ছিল। বাবা ভাঙ্গা ভবিষ্যৎবাণীতে বলেছিলেন, আগামী বছরে বিশ্ব ভয়াবহ ভূমিকম্প, বন্যা ও সুনামির মতো বিপর্যয়ের সাক্ষী হতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ এবং এশিয়ার কিছু অংশ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। পৃথিবীর প্রায় ৭–৮ শতাংশ স্থলভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।
আরও পড়ুন: Muhammad Yunus: ঢাকায় তাণ্ডব, সংবাদপত্র অফিসে আগুন ও ভাঙচুর, মুখ খুললেন ইউনূস?
চতুর্থত, সব খবরই ভয়ঙ্কর নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান ও জীববিদ্যায় ২০২৬ সাল এক বিপ্লবী বছর হতে পারে। বাবা ভাঙ্গার মতে, বিজ্ঞানীরা কৃত্রিমভাবে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরি করতে সক্ষম হবেন, যা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জটিলতা কমাবে এবং বহু মানুষের প্রাণ বাঁচাবে।


