Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: ইন্দোনেশিয়ার বালিতে (Bali Case) সন্দেহজনক ভাবে মৃত্যু হয়েছে তিন অস্ট্রেলীয় নাগরিকের। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাবা তাঁর দুই সন্তানকে খুন করার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে ইন্দোনেশিয়া পুলিশ।
মূল ঘটনা (Bali Case)
তথ্যসূত্রে জানা গিয়েছে (Bali Case), ৫৭বছর বয়সী এক ব্যক্তি এবং তাঁর সাত ও চার বছর বয়সী দুই সন্তানকে রবিবার সকালে কুটার একটি বাংলো থেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। দেনপাসার পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৫১ বছর বয়সী নূর খামিদ নামের এক ব্যক্তি সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ নিহত ব্যক্তির স্ত্রীর ফোন পান। নিহতের স্ত্রী জানান, তিনি জার্কাতায় আছেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। তিনি ওই ব্যক্তিকে অনুরোধ করেন, তাঁর স্বামী এবং পরিবারের খোঁজ নেওয়ার জন্য। এরপর খামিদ ওই বাংলোতে যান। বাংলোর দরজা বন্ধ থাকায় খামিদ জানলা দিয়ে উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভিতরে কিছু দেখতে না পেয়ে বাংলোর মালিকের সাথে দেখা করেন। পরে তারা দরজায় ধাক্কা এবং আঘাত করার পরে সেটি জোর করে খোলা হয়। দরজা খুলতেই তাদের চক্ষু চরক গাছ হয়ে যায়। ঘরের মেঝেতে তিনটি রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পান।
মৃত্যুর তদন্ত (Bali Case)
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ কর্মকর্তারা তদন্ত ও প্রাথমিক পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক পরীক্ষা থেকে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, দুই শিশুকে হত্যা করার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরবর্তী পরীক্ষা ও ব্যবস্থাপনার জন্য মরদেহগুলি নগোয়েরাহ সেন্ট্রাল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেনপাসার পুলিশ প্রধান, সিনিয়র কমিশনার লিওনার্দো ডি সীমাটুপাং জানিছেন, ‘মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য তদন্তকারীরা এখনও ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে দেখার পাশাপাশি সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Tarak Nath Sardar: প্রতিবন্ধকতাই ছিল প্রেরণা, এশিয়ান ক্যারাটেতে ইতিহাস গড়লেন শিহান তারকনাথ সর্দার
নিহতের স্ত্রী-সহ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ সহ বিভিন্ন অনুসন্ধান চলছে।’ তিনি আরও বলেন, কুটা পুলিশ ওই ব্যক্তির স্ত্রীর জবানবন্দি নিয়েছে। তারা অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে। পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দফতরের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘এই কঠিন সময়ে আমরা পরিবারটির প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতার কারণে আমরা এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে পারছি না।’


