Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইডেনে ভারতের হারের দিনেই কল্যাণীতে দেখা গেল সামির দাপট। বাংলার আগুনে বোলিংয়ের সামনে ২০০ রানে গুটিয়ে গেল অসম (Bengal)।
বল হাতে সামির দাপট (Bengal)
এই মরশুমে রঞ্জিতে দারুন ফর্মে রয়েছে বাংলা। প্রথম চারটি ম্যাচের মধ্যে তিনটে ম্যাচেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলা শিবির। একটি ম্যাচ ড্র করেছে। ম্যাচ জেতার পিছনে রয়েছে বাংলার বোলাদের আগুনে বোলিং। যাঁদের মধ্যে অন্যতম সামি। রবিবার (১৬ নভেম্বর) থেকে অসমের বিরুদ্ধে পঞ্চম রঞ্জির ম্যাচ খেলতে নেমেছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। আর এই ম্যাচেও বাংলা বোলাররা একেবারে আগুনে মেজাজে ছিলেন। যার নিটফল, ২০০ রানেই গুটিয়ে যায় অসম (Bengal)।
রবিবার একদিকে যখন ভারতীয় দলের ব্যাটাররা দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে নাস্তানাবুদ হচ্ছেন তখন অন্যদিকে আগুন ঝরাচ্ছে বাংলার বোলাররা। তাঁদের বিধ্বংসী মেজাজের সামনে কোণঠাসা বিপক্ষ অসম। সামির আগুনে বোলিংয়ের সামনে তখন দাঁড়াতে ব্যর্থ প্রতিপক্ষ। সামি পাশে পান সুরজ সিন্ধু জয়সওয়ালকে। সামি নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ৩ উইকেট নেন সুরজ। বাংলার দুই পেসার মিলেই অসমের ৬ উইকেট তুলে নেন। এ ছাড়াও নজর কাড়েন মহম্মদ কাইফ। তিনিও ২ উইকেট নেন।

বাংলা টস জিতে অসমকে আগে ব্যাট করতে পাঠায়। ইনিংসের শুরুতেই অসম ব্রিগেডে প্রথম ধাক্কা হানেন সুরজ। ঋষভ দাসকে (২) সাজঘরে ফেরান তিনি। তখন অসমের স্কোরবোর্ড মাত্র ৮ রান যোগ হয়েছে। এর পর কাইফ পরপর দুই উইকেট নিয়ে অসমকে চাপে ফেলে দেন। প্রথমে তিনি ফেরান প্রদ্যুন সাইকিয়াকে (৩৮)। তখন অসমের সংগ্রহ ৬১। আর বিপক্ষের ৬৫ রানে আরও একটি উইকেট তুলে নেন কাইফ। এ বার তাঁর শিকার হয় দানিশ দাস (৩) (Bengal)।
আরও পড়ুন: Stocks: এই সপ্তাহে চার স্টকে নজর রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
অসম তিন উইকেট হারিয়ে যখন চাপে, তখন হাল ধরেন স্বরূপম পুরকায়স্থ এবং দলের অধিনায়ক সুমিত ঘাড়িগাঁওকর। তাঁরা চতুর্থ উইকেটে অসমকে কিছুটা নির্ভরতা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু এই জুটি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই সেটাকে ভেঙে দেন সামি। ৬২ রানে পুরকায়স্থকে ফেরান সাজঘরে। এটাই এই ম্যাচে আপাতত অসমের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন সুমিত ঘাড়িগাঁওকর (৫৩)। এর পরেও কি জাতীয় দলের নির্বাচকদের চোখে সামি ব্রাত্য থাকবেন? বারবার মাঠে নিজের দক্ষতার পরিচয় দেওয়ার পরেও কোন অজ্ঞাত কারণে জাতীয় দলের দরজা যে তাঁর জন্য বন্ধ সেটা নির্বাচকরাই বলতে পারবেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Bengal)।


