Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতবিরোধী জেহাদি প্রোপাগান্ডা চালানোর অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নোদাখালি থানার বিড়লাপুর এলাকা থেকে শেখ সফিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল বেঙ্গল STF (Bengal STF)। গতকাল দুপুরে বিড়লাপুর জুটমিলের কোয়ার্টারে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

কোয়ার্টারেই চলল অভিযান (Bengal STF)
STF সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ আধিকারিকদের একটি দল বিড়লাপুর জুটমিলের আবাসনে পৌঁছয়। তিনতলা আবাসনের ১৬৯ নম্বর কোয়ার্টারে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই শেখ সফিককে গ্রেফতার করা হয়।
দীর্ঘদিনের বাসিন্দা (Bengal STF)
স্থানীয় সূত্রের দাবি, শেখ সফিক প্রায় ১০ বছর ধরে ওই এলাকায় স্ত্রী এবং দুই কন্যাসন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। গত প্রায় দুই বছর ধরে তিনি বিড়লাপুর জুটমিলেও কাজ করছিলেন বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। ফলে এলাকায় তাঁর পরিচিতিও ছিল বলে জানা যাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়া কার্যকলাপ ঘিরে অভিযোগ (Bengal STF)
তদন্তকারীদের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে শেখ সফিকের সোশ্যাল মিডিয়া কার্যকলাপ। কোন কোন প্ল্যাটফর্মে তিনি সক্রিয় ছিলেন, কী ধরনের পোস্ট বা কনটেন্ট প্রকাশ করতেন এবং সেই কনটেন্টের সঙ্গে কোনও সংগঠনের যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে STF।
ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা (Bengal STF)
গ্রেফতারের পর তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে অভিযুক্তের ডিজিটাল যোগাযোগ। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য পরীক্ষা করে কোনও সন্দেহজনক যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও কেউ জড়িত? (Bengal STF)
এই ঘটনায় শেখ সফিক একাই জড়িত, নাকি তাঁর সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীরা তাঁর অনলাইন যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন। প্রয়োজনে আরও জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান চালানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন: KMC Ward: ১৪৪ থেকে ২০৯! বদলাচ্ছে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডের মানচিত্র, শীঘ্রই প্রকাশিত হবে নয়া খসড়া
তদন্তের দিকেই নজর
তবে ঠিক কোন পোস্ট বা কার্যকলাপের ভিত্তিতে শেখ সফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে বৃহত্তর কোনও নেটওয়ার্কের যোগ রয়েছে কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে। আপাতত STF-এর তদন্তেই রয়েছে গোটা ঘটনার নজর।



