Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বেঙ্গালুরুর বিরাট নগরে এক ২৪ বছর বয়সি ট্রান্সজেন্ডার মহিলার উপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে (Bengaluru Transgender)। অভিযোগ, একই সম্প্রদায়ের সাত জন তাঁকে দিনভর মারধর করার পাশাপাশি মাথা ন্যাড়া করে দেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

কী ঘটেছিল সেদিন? (Bengaluru Transgender)
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ মাস ধরে ওই তরুণী এক ট্রান্সজেন্ডার মহিলার বাড়িতে বসবাস করছিলেন এবং ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ২৯ অক্টোবর তিনি কেআর পুরমে গিয়ে অন্য এক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন। পরের দিন সকালে দুটি অটো রিকশায় করে একই সম্প্রদায়ের চার মহিলা সেখানে পৌঁছে তাঁকে জোর করে ফেরত নিয়ে আসেন বিরাট নগরের ওই বাড়িতে। সেখানে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কেন তিনি অন্যত্র গিয়ে রাত কাটিয়েছেন। তাঁকে জানানো হয়, ওই বাড়িতেই থাকতে হবে স্থায়ীভাবে। এরপরই শুরু হয় নির্যাতন।
মাথা মুড়িয়ে দেওয়া ও মারধর (Bengaluru Transgender)
অভিযোগ, দুই ট্রান্সজেন্ডার মহিলা ক্রিম লাগিয়ে তাঁর মাথার সমস্ত চুল কেটে দেন। অন্যরা তাঁকে দড়ি দিয়ে বেঁধে লাঠি ও বেল্ট দিয়ে মারধর করেন। বিকেল পর্যন্ত এই অমানবিক অত্যাচার চলে। তাঁকে কিছু খেতেও দেওয়া হয়নি, বরং পরবর্তী সময়ে আরও নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হয়।

ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতনের ভিডিও (Bengaluru Transgender)
ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়েছে, কারণ ঘরের ভেতরে নির্যাতনের সেই দৃশ্যের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই মহিলাকে জোর করে বসিয়ে মাথা ন্যাড়া করা হচ্ছে। এই ভিডিওর ভিত্তিতেও তদন্ত শুরু করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।
পুলিশের ভূমিকা ও মামলা (Bengaluru Transgender)
বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।” প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: Gold Rate: সোনার বাজারে ধাক্কা! বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে চাঞ্চল্য!
সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক
এই ঘটনার পর ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর স্থানীয় এক সমাজকর্মী জানিয়েছেন, “এমন নির্যাতন শুধু অমানবিক নয়, সম্প্রদায়ের মধ্যেই অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করছে।”



