Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিহারের রাজনীতিতে ফের আলোচনার (Bihar Assembly) কেন্দ্রে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পাটনায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে বড়সড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘মহাগঠবন্ধন’ সরকার গঠন করলে বিহারের প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, ক্ষমতায় আসার ২০ দিনের মধ্যেই এই উদ্দেশ্যে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
‘বিশেষ কর্মসংস্থান আইন’ (Bihar Assembly)
তেজস্বী জানান, ইতিমধ্যেই একটি ‘বিশেষ কর্মসংস্থান আইন’ খসড়া (Bihar Assembly) তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এই আইন কার্যকর হলে, ২০ মাসের মধ্যে এমন কোনও পরিবার বিহারে থাকবে না, যেখানে কেউ সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয়। বিরোধী দলনেতার দাবি, তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং কর্মক্ষমতা থেকেই এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি। উল্লেখযোগ্যভাবে, নীতীশ কুমারের সঙ্গে জোট সরকার চলাকালীন মাত্র ১৭ মাসেই তাঁর দল ৫ লক্ষ সরকারি চাকরি দিয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কোনও জুমলা নয় (Bihar Assembly)
এই প্রস্তাব নিয়ে তেজস্বী আরও বলেন, “এটা কোনও (Bihar Assembly) জুমলা নয়। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাই না। আমাদের হাতে তথ্যভিত্তিক রিপোর্ট রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক পরিবারের অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের চিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেই ভিত্তিতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন
তেজস্বীর এই ঘোষণা ইতিমধ্যেই বিহারের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন ফেলেছে। বিশেষত যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁর এই প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখযোগ্য, বিহারে বহু বছর ধরেই বেকারত্ব অন্যতম বড় সমস্যা। এই সুযোগে তেজস্বী বিজেপি-জেডিইউ জোট সরকারের সমালোচনাও করেছেন। তাঁর বক্তব্য, বিগত ২০ বছরে সরকার কোনও কার্যকর কর্মসংস্থানের রূপরেখা তৈরি করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: Bollywood: যুক্তরাজ্যের শুটিংয়ে বড় সিদ্ধান্ত বলিউডের, লাভ গুনবে দুই দেশ
অন্যদিকে, শাসক শিবিরও হাত গুটিয়ে বসে নেই। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সম্প্রতি বেকার ভাতা প্রসারিত করে ২০-২৫ বছর বয়সি স্নাতকদের জন্য মাসিক ১০০০ টাকা ভাতা ঘোষণা করেছেন। আগে যা কেবলমাত্র দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া তরুণ-তরুণীদের জন্য ছিল।
বিহার বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। দু’দফায় নির্বাচন হবে ৬ ও ১১ নভেম্বর, গণনা ১৪ নভেম্বর। মূল লড়াই আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাগঠবন্ধন এবং বিজেপি-জেডিইউ জোট এনডিএ-র মধ্যে হলেও, প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ এবং এলজেপি নিয়েও আগ্রহ রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।


