Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার (CeasefireTalks) নিল, যখন আমেরিকা ও ইরানের সংঘর্ষবিরতি প্রসঙ্গ ঘিরে নতুন করে শুরু হল কূটনৈতিক টানাপোড়েন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পাশাপাশি জানা গিয়েছিল, ইরান আমেরিকার কাছে একটি ১০ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়।
কড়া প্রতিক্রিয়া (CeasefireTalks)
হোয়াইট হাউসের তরফে এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া (CeasefireTalks) জানানো হয়েছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “ইরান হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে সম্মত হয়েছে। আমরা ইরানের কাছ থেকে একটি প্রস্তাব পেয়েছি, তবে সেটি আলোচনার ভিত্তি হিসেবে দেখা হলেও, প্রস্তাবটির মৌলিক গুরুত্ব নেই।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই পরিকল্পনা গ্রহণযোগ্য নয় এবং সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর পরিষদ এই প্রস্তাবকে আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিয়েছেন।”

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
ইরানের ১০ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল-আমেরিকার ভবিষ্যৎ আগ্রাসন বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা, পারমাণবিক কর্মসূচির স্বীকৃতি এবং সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। এছাড়াও রাষ্ট্রপুঞ্জ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ইরান বিরোধী প্রস্তাব বাতিলের দাবিও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: Babar Azam: ‘বিরাট’ প্রশ্নে চটল আজম!
এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, যখন লেবাননে ইজরায়েলের হামলায় প্রায় ২৫০ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরঘচি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “আমেরিকাকে বেছে নিতে হবে- হয় সংঘর্ষবিরতি, নয়তো ইজরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া। এই দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না।” তিনি আরও বলেন, “গোটা বিশ্ব এখন দেখছে, আমেরিকা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে কি না।” অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, লেবাননে এই হামলার ফলে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘিত হয়েছে। এর জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আপাতত জাহাজ চলাচলও বন্ধ রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


