Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে চলেছে প্রশাসন (Chhath Puja 2025)। সূত্রের খবর, আসন্ন ছটপুজোয় যাতে রবীন্দ্র সরোবর ও সুভাষ সরোবরে দূষণ না ছড়ায়, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে এ বছরও দুই সরোবরেই ভক্তদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
জারি হচ্ছে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তি (Chhath Puja 2025)
কেএমডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই এই সিদ্ধান্তের সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
দুই সরোবর মিলিয়ে প্রায় ৩০০ পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে।
দায়িত্বে থাকবেন দু’জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার।
সরোবরের গেটগুলিতে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে, যাতে কেউ বেআইনিভাবে ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে।
সূত্রের আরও খবর, ২০২২ সালে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিছু ভক্ত সরোবরে প্রবেশ করেছিলেন। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তার জন্য এবার নজরদারি আরও কড়া করা হচ্ছে।
বিকল্প ঘাটের ব্যবস্থায় জোর (Chhath Puja 2025)
সূত্র অনুযায়ী, সরোবর বন্ধ থাকলেও পুজোর সময় ভক্তদের অসুবিধা এড়াতে একাধিক বিকল্প ঘাট তৈরি করা হয়েছে।
কলকাতা জুড়ে ৩৯টি অস্থায়ী ঘাট তৈরি করেছে কেএমডিএ।
সুভাষ সরোবরের লাগোয়া এলাকায় বিকল্প ঘাটের দায়িত্বে রয়েছে কলকাতা পুরসভা।
রবীন্দ্র সরোবরের পাশে ঘাটের ব্যবস্থা করেছে কেএমডিএ নিজে। প্রতিটি ঘাটে থাকবে,
- অস্থায়ী বায়ো-টয়লেট,
- পোশাক বদলের তাঁবু,
- প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র,
- এবং পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও জঞ্জাল পরিষ্কারের ব্যবস্থা।
সূত্রের খবর, পুজো শেষ হওয়ার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাট পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভাকে।
বাজির ক্ষেত্রে কড়াকড়ি (Chhath Puja 2025)
দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছটপুজোর দিনে সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মাত্র দুই ঘণ্টা বাজি ফাটানোর অনুমতি থাকবে। তবে শুধুমাত্র সবুজ বাজি ব্যবহারেরই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। লালবাজারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে দূষণকারী বাজির ব্যবহার রোধে কড়া নজরদারি করা হয়। কলকাতা পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, “সব থানার তরফেই সাধারণ মানুষকে নিয়ম মেনে শুধু সবুজ বাজি ব্যবহারের আহ্বান জানানো হবে। নিয়মভঙ্গ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন: Mount Everest: নেপাল নয়, ভারত থেকেই দেখা গেল মাউন্ট এভারেস্ট কীভাবে সম্ভব?
পরিবেশকর্মীদের প্রতিক্রিয়া
সূত্রের খবর পরিবেশরক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আশা করি, এ বারও জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মানতে প্রশাসন সফল হবে। রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবর শুধু জলাশয় নয়, শহরের ফুসফুস তা রক্ষায় আমাদের সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে।”



