Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: অল্প বয়সে শিশু নিজেদের সমস্যা (Child Health) বা অসুবিধা ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না-এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অভিভাবক হিসেবে তাই শুধু যত্ন নয়, প্রয়োজন পর্যবেক্ষণ এবং সতর্কতা। সময়মতো সমস্যা শনাক্ত করতে পারলে বহু বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক গবেষণাও বলছে, অনেক গুরুতর অসুস্থতা প্রতিরোধযোগ্য, যদি অভিভাবকরা শিশুর শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের বার্তা সময়মতো ধরতে পারেন।
১. শ্বাসকষ্ট বা অক্সিজেনের ঘাটতি (Child Health)
ছোটরা ঠিকঠাক বলতে না পারলেও তাদের শরীরের (Child Health) কিছু পরিবর্তনে বোঝা যায়, তারা ঠিকঠাক শ্বাস নিতে পারছে না। মুখ বা ঠোঁটের রঙ যদি হালকা নীলচে হয়ে যায়, বারবার ক্লান্ত হয়ে পড়ে, বা কান্নার আওয়াজ দুর্বল হয়ে যায়-তবে বুঝবেন শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। এমন অবস্থায় অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
২. অস্বাভাবিক জ্বর (Child Health)
১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি জ্বর শিশুদের জন্য বিপজ্জনক (Child Health) হতে পারে। আবার সদ্যোজাতদের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা যদি ৯৭.৭ ডিগ্রির নিচে নেমে যায়, তবে সেটাও চিন্তার বিষয়। জ্বরের পাশাপাশি যদি শিশুর মাথাব্যথা, আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা, বা অতিরিক্ত নিদ্রাচ্ছন্নতা দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে সতর্ক হতে হবে।
৩. দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা
জ্বর বা সংক্রমণ যদি একাধিক ওষুধ খাওয়ানোর পরেও না কমে, এবং তার সঙ্গে মাথা ঘোরা, খিঁচুনি, বা রক্তপাত দেখা দেয়-তাহলে শিশুর শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ বা অন্য কোনও অসুখ থাকতে পারে। সময় নষ্ট না করে দ্রুত চিকিৎসকের দ্বারস্থ হওয়াই একমাত্র উপায়।

৪. জলশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন)
ছোটদের ডিহাইড্রেশন খুব তাড়াতাড়ি হয়। ৮ ঘণ্টার বেশি সময় প্রস্রাব না হলে, কান্নার সময় চোখের জল না এলে, অথবা শরীর ঘেমে না উঠলে বুঝতে হবে শরীরে জলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এটি একেবারে অবহেলা করা উচিত নয়।
আরও পড়ুন: Mutual Fund: পাঁচ বছরে আর্থিক বিপ্লব, মোবাইলে বাজার, আঙুলেই বিনিয়োগ!
৫. মাথায় আঘাত
বাচ্চারা খেলাধুলা করতে গিয়ে পড়ে গেলে বা মাথায় আঘাত পেলে সেটিকে হালকা ভাবে না দেখে সতর্ক হওয়া জরুরি। মাথা ঘোরা, বমি, অসংলগ্ন কথা বা খিঁচুনি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন।


