Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিনের প্রতিরক্ষা নীতি বিকৃত করার অভিযোগ তুলে পেন্টাগনের সাম্প্রতিক রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করেছে বেজিং(China Pentagon)। চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান দাবি করেন, রিপোর্টের উদ্দেশ্য হল ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঠেকানো এবং একই সঙ্গে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠতা আরও জোরদার হওয়া রুখে দেওয়া।
‘মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ (China Pentagon)
লিন জিয়ান বলেন, ভারত-চিন সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনা হ্রাসের সুযোগ নিয়ে বেজিং ওয়াশিংটন-নয়াদিল্লি সম্পর্ক দুর্বল করতে চাইছে এই ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর কথায়, “চিন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। সীমান্ত সমস্যা শুধুমাত্র চিন ও ভারতের মধ্যের বিষয়। এ নিয়ে তৃতীয় কোনও দেশের মন্তব্য আমরা গ্রহণ করি না।”
চিনের বিরুদ্ধে পেন্টাগনের অভিযোগ (China Pentagon)
মঙ্গলবার প্রকাশিত পেন্টাগন রিপোর্টে বলা হয়, লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC) বরাবর উত্তেজনা কমার সুযোগ নিয়ে চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে চাইছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর না হয়।
‘চিনের কোর ইন্টারেস্টের অংশ অরুণাচল’
পেন্টাগন রিপোর্টে চিনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যও তুলে ধরা হয়েছে। এতে অরুণাচল প্রদেশকে চিনের তথাকথিত “কোর ইন্টারেস্ট”-এর অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে, যেখানে তাইওয়ান ও দক্ষিণ চিন সাগরের সামুদ্রিক বিরোধগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই লক্ষ্যগুলো ২০৪৯ সালের মধ্যে “চিনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন”-এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে রিপোর্টে উল্লেখ (China Pentagon)
ভারত-চিন সম্পর্ক প্রসঙ্গে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে এলএসি বরাবর অবশিষ্ট সংঘর্ষপূর্ণ এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারে উভয় দেশ সম্মত হয়। ব্রিকস সম্মেলনের ঠিক দু’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
আরও পড়ুন:Vaibhav Sooryavanshi: বৈভবকে বিশেষ সম্মান জানিয়ে রাষ্ট্রপতির অনুপ্রেরণার বার্তা
চিন-পাক সামরিক সহযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ (China Pentagon)
এছাড়াও রিপোর্টে চিন-পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান যৌথ উৎপাদন, জে-১০ যুদ্ধবিমান রপ্তানি, সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ এবং পাকিস্তানের জন্য ইউয়ান-শ্রেণির সাবমেরিন নির্মাণের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পেন্টাগনের মতে, পাকিস্তান ভবিষ্যতে চীনের পিএলএ সামরিক লজিস্টিক ঘাঁটির সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।



