Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিন–আমেরিকা সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনা শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিজের অবস্থান বদলেছেন(China Us) । বছর শুরুর দিকে তার প্রশাসন ঘোষণা করেছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রে চিনা ছাত্রছাত্রীদের প্রবেশে কঠোর হবে প্রশাসন। কিন্তু এখন ট্রাম্প বলছেন, বিদেশি—বিশেষ করে চিনা—শিক্ষার্থীদের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা দেশের জন্য লাভজনক।

পড়ুয়া ফি আদায়েই চিনে নরম ট্রাম্প? (China Us)
এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা ধ্বংস করতে চাই না। বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশে আসে এবং তারা দ্বিগুণ ফি দেয়—এটা আমাদের জন্য বিশাল ব্যবসা।” সোমবার হোয়াইট হাউসে তিনি আরও বলেন, “আমি চাই অন্তত আরও ৬ লক্ষ চীনা ছাত্র আমেরিকায় আসুক। এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”
চিনে কড়া মার্কিন প্রশাসন (China Us)
তার মন্তব্য আসে একদিকে চিনের সঙ্গে চলতে থাকা বাণিজ্য আলোচনার প্রেক্ষাপটে, অন্যদিকে নিজ প্রশাসনের আগের কড়া অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতেও। কারণ এর আগেই বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও ঘোষণা করেন, চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করা হবে। এমনকি ‘Compact for Academic Excellence’ নামে একটি প্রস্তাবও আসে, যা বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার কথা বলে।

আচমকাই সুর নরম ট্রাম্পের (China Us)
তবে ট্রাম্প এখন বলছেন, “আমি প্রেসিডেন্ট শিকে বলেছি, আমরা সম্মানিত বোধ করি তাদের ছাত্রছাত্রীদের আমন্ত্রণ জানাতে। তবে আমরা সতর্ক থাকব, কে আসছে সেটা দেখব।”
চিনা শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ (China Us)
বর্তমানে প্রায় ২.৭৭ লাখ চিনা শিক্ষার্থী মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে—যা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ২৫ শতাংশ। ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষে তারা মার্কিন অর্থনীতিতে ১১ বিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে।
আরও পড়ুন: Red Fort Blast 2025: পুলওয়ামার ডঃ উমরই কি সেই ‘মৃত স্টিয়ারিংম্যান’?
‘কৌশলগত ইউটার্ন’
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চিনা শিক্ষার্থীদের প্রতি ট্রাম্পের এই ‘ইউ-টার্ন’ বাণিজ্য চুক্তি এবং অভ্যন্তরীণ আইনি চাপে কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ। বেইজিংও জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট শিকে ফোনে বলেছেন, “আমেরিকা চিনা শিক্ষার্থীদের ভালোবাসে।”



