Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাঙালির রান্নাঘরে (Coriander Leaves) ধনেপাতা মানেই পরিচিত এক সুবাস। মাছের ঝোলের উপর ছড়ানো কুচি ধনেপাতা বা ডাল-সব্জির শেষ ছোঁয়া হিসেবেই তার ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকে বেশির ভাগ ঘরে। কিন্তু এই সাধারণ সবুজ শাকটির গুণ যে কত অসাধারণ, তা অনেকেই জানেন না। পাতা হোক বা বীজ-ধনে ভরপুর পুষ্টিগুণে, যা শরীরকে নানা রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Coriander Leaves)
ধনেপাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, আয়রন, (Coriander Leaves) ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। ফলে হাড় মজবুত করা, হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখা, হজমশক্তি উন্নত করা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ধনেপাতা থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। তাই শুধুমাত্র সাজানোর উপকরণ হিসেবে নয়, বরং দৈনন্দিন খাবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধনেপাতাকে ব্যবহার করা উচিত।
ধনেপাতার রাইস (Coriander Leaves)
ধনেপাতা দিয়ে বানানো যায় নানা রকম স্বাস্থ্যকর ও (Coriander Leaves) সুস্বাদু পদ। যেমন, সাধারণ ভাতকে একটু বদলে নিতে চাইলে তৈরি করতে পারেন ধনেপাতার রাইস। ধনেপাতা, পুদিনা পাতা ও কাঁচা লঙ্কা একসঙ্গে বেটে তার সঙ্গে অল্প টক দই মিশিয়ে নিন। সেই মিশ্রণ গরম ভাতের সঙ্গে ভালো করে মেখে নিলে তৈরি হয়ে যাবে সুবাসিত ও স্বাদে ভরপুর ধনেপাতার ভাত। এটি শিশুদেরও বেশ পছন্দের হয়।

ধনেপাতার চাটনি
ধনেপাতার আরেকটি জনপ্রিয় ব্যবহার হল চাটনি। রসুন, কাঁচা লঙ্কা, নুন ও লেবুর রস দিয়ে ধনেপাতা বেটে তৈরি করা চাটনি যে কোনও খাবারের সঙ্গে অনন্য স্বাদ যোগ করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে এই চাটনি খেলে হজম ভালো হয় এবং শরীরও পায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি।

আরও পড়ুন: Pakistan: হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে কন্ডোমের দাম, পাকিস্তানে জনবিস্ফোরণের আশঙ্কা!
ধনেপাতার স্মুদি
শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে শসা ও ধনেপাতার স্মুদি দারুণ উপকারী। শসা ও ধনেপাতা একসঙ্গে ব্লেন্ড করে পান করলে শরীরে জলশূন্যতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। গরমকালে যেমন, তেমনই শীতের শুষ্ক আবহাওয়াতেও এই পানীয় উপকারী।

লেবু ও ধনেপাতার স্যুপ
শীতকালে লেবু ও ধনেপাতার স্যুপ হতে পারে আদর্শ স্বাস্থ্যকর খাবার। গরম স্যুপ গলা আরাম দেয়, আবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। এতে পেঁয়াজ, সব্জির স্টক বা সামান্য সব্জি যোগ করলে পুষ্টিগুণ আরও বেড়ে যায়।


