Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুই বছর পর বুধবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (CV Ananda Bose) আয়োজিত হলো সমাবর্তন অনুষ্ঠান। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে আচার্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সমাবর্তনে অংশ নিয়ে তিনি কৃতী পড়ুয়াদের হাতে ডিগ্রি ও সম্মাননা তুলে দেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন রাজ্যপাল।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিশেষ পুরস্কার (CV Ananda Bose)
সমাবর্তনের মঞ্চ থেকেই রাজ্যপাল জানান, আগামী দিন থেকে (CV Ananda Bose) লোকভবনের তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিশেষ পুরস্কার প্রবর্তন করা হবে। মোট সাতটি পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই পুরস্কারগুলি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, গ্রাজুয়েট, শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী এবং প্রশাসনিক বিভাগের কৃতিত্বের জন্য প্রদান করা হবে। প্রতিটি পুরস্কারের আর্থিক মূল্য হবে ২৫ হাজার টাকা। রাজ্যপালের দফতর থেকেই এই পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও কোন কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এই পুরস্কার দেওয়া হবে, তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে রাজ্যপাল স্পষ্ট করেছেন, আগামী বছরের সমাবর্তন অনুষ্ঠান থেকেই এই পুরস্কার প্রদান শুরু হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনার ছবি (CV Ananda Bose)
সমাবর্তনের দিন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনার (CV Ananda Bose) ছবিও দেখা যায়। রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করার সময় এসএফআই ও ডিএসও-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির তরফে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচন দ্রুত করার দাবি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল কাটছাঁটের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরে বিক্ষোভ চলে। স্লোগান ও ব্যানারে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

ব্যতিক্রমী ছবি
তবে অনুষ্ঠানের শেষে এক ব্যতিক্রমী ছবি ধরা পড়ে। সমাবর্তন শেষে রাজ্যপাল যখন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন তিনি নিজেই বিক্ষোভরত ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করেন। ছাত্র সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে রাজ্যপালের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়, যেখানে ছাত্রভোট ও বিভিন্ন প্রশাসনিক দাবির কথা উল্লেখ করা হয়। রাজ্যপাল মন দিয়ে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন এবং ছাত্রদের বক্তব্য শোনেন।
আরও পড়ুন: Jyothi Yarraji: ফাঁকা স্টেডিয়ামে বাজিমাত, জ্যোতির দুর্দান্ত সোনা জয়!
এই প্রসঙ্গে সিভি আনন্দ বোস জানান, প্রতিবাদ করা ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি বলেন, রাজভবন এখন আর শুধু রাজভবন নয়, এটি লোকভবন। যে কোনও সময় পড়ুয়ারা সেখানে এসে নিজেদের কথা বলতে পারেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছে শিক্ষামহলের একাংশ।


