Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভ্রদীপ দাস, সুকৃতি ভট্টাচার্য্য: নিট এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে (Dharmatala Case) প্রতিবাদে ধর্মতলায় এক সুবিশাল প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয় বামপন্থীদের ছাত্র ও যুব সংগঠন। দলীয় পতাকা ও ব্যানার ছাড়া মিছিলে যোগ দেয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র কলকাতা শাখা সহ বেশ কিছু নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও সাধারণ মানুষ। তবে মিছিলের শেষলগ্নে এক অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ধর্মতলা চত্বর।
গোলমাল পাকানোর চেষ্টা (Dharmatala Case)
প্রতিবাদ মিছিল শেষে হঠাৎই কিছু দুষ্কৃতী ও সমাজবিরোধী (Dharmatala Case) গোষ্ঠী গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করে। কর্তব্যরত সাংবাদিকদের ওপর আচমকা চড়াও হয়ে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। বাদ পড়েননি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা পার্সনরাও। এ ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়।
পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ (Dharmatala Case)
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত পদক্ষেপ করে (Dharmatala Case) কলকাতা পুলিশ। সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লালবাজার সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজ ও ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
ধর্মতলায় ঘটনার পুনর্নির্মাণ (Dharmatala Case)
তদন্তের গতি বাড়াতে এবং ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে সোমবার ধৃতদের মধ্যে কয়েকজনকে সোজা ধর্মতলার সেই অকুস্থলে নিয়ে আসে কলকাতা পুলিশের একটি বিশেষ দল। পুলিশ কর্তারা অভিযুক্তদের দিয়ে গোটা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করান।হামলাকারীরা কার নির্দেশে সেখানে এসে পৌঁছাল, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে তারা কীভাবে এই অরাজকতা সৃষ্টি করল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
সাংবাদিকদের ওপর এমন নজিরবিহীন আক্রমণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজ্যের সাংবাদিক মহল। অন্যদিকে, আন্দোলনকারী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পেছনে আসল আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত থাকতে পারে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ।
ধর্মতলায় নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে বাম (Dharmatala Case) যুব সংগঠনের মিছিল চলাকালীন সাংবাদিকদের উপর হামলা, পুলিশের দিকে জুতো ও বোতল ছোড়া এবং ভাঙচুরের ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।
ধৃতদের নাম:ওয়াকার আজম (৩৫),
মহম্মদ জাভেদ আখতার (৩২), এই ঘটনায় এর আগে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নতুন করে দু’জন গ্রেফতার হওয়ায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬।
ধর্মতলায় বাম যুব সংগঠনের ওই মিছিল চলাকালীন একাধিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে জুতো, বোতল-সহ বিভিন্ন বস্তু ছোড়া এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন: Punjab Education: প্রশ্নফাঁস বিতর্কে পাঞ্জাবে রাজনৈতিক তোলপাড়, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিজেপির
ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


