Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন রাজনীতির এক বিতর্কিত (Dick Cheney) ও প্রভাবশালী অধ্যায় শেষ হলো। প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি সোমবার রাতে ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, চেনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। একই সঙ্গে নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত হন তিনি।
ডিক চেনি ছিলেন… (Dick Cheney)
ডিক চেনি ছিলেন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের (Dick Cheney) আমলে (২০০১-২০০৯) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট। ২০০১ সালের ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর তিনি হয়ে ওঠেন আমেরিকার যুদ্ধনীতি ও বৈদেশিক কৌশলের প্রধান স্থপতি। বিশেষ করে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন আক্রমণ পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা ছিল মুখ্য।
চেনির রাজনৈতিক জীবন (Dick Cheney)
চেনির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে (Dick Cheney), রিপাবলিকান প্রশাসনে তিনি দ্রুত উঠে আসেন। প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের অধীনে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে কাজ করেন এবং পরবর্তীতে ডিফেন্স সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগেও সমালোচিত
তবে তাঁর সবচেয়ে আলোচিত সময় আসে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময়। চেনি দাবি করেছিলেন, সাদ্দাম হোসেনের কাছে বিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে-যা পরে প্রমাণিত হয়নি। এই যুদ্ধই তাঁকে মার্কিন রাজনীতিতে এক বিতর্কিত চরিত্রে পরিণত করে। চেনির কঠোর বিদেশনীতি, গোপনীয়তা, এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্ত ভূমিকা তাঁকে একদিকে ‘শক্তিশালী ভাইস প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়, অন্যদিকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগেও সমালোচিত হন তিনি।
আরও পড়ুন: Chandrapur Manan for Literature: নারীসুরক্ষার এই বার্তা কি ছড়িয়ে দেবে ‘মনন’-এর সপ্তম বোনফোঁটা?
রাজনীতি ছাড়ার পরও তিনি রিপাবলিকান দলের নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি প্রকাশ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও আচরণের সমালোচনা করেন, যা দলে প্রবল জল্পনার জন্ম দেয়। ডিক চেনি রেখে গেছেন তাঁর স্ত্রী লিন চেনি এবং দুই কন্যা, লিজ ও মেরি চেনিকে। আমেরিকার ইতিহাসে তিনি চিরকাল স্মরণীয় থাকবেন—একজন কঠোর সিদ্ধান্তনির্মাতা, বিতর্কিত কিন্তু প্রভাবশালী রাজনীতিক হিসেবে।


