Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একবার আবারও ভারত ও অন্যান্য এশীয় দেশ থেকে আসা কৃষি আমদানিকে লক্ষ্য করে শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন (Donald Trump)। এর আগে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে তেলচুক্তি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রশাসনের অসন্তোষ প্রকাশিত হয়েছে। তাতে যেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট কখনোই সন্তুষ্ট নন। বিশেষ করে, ভারতের চাল আমদানি এবং কানাডা থেকে আমদানি হওয়া সারের ওপর তিনি কঠোর শুল্ক নীতি প্রয়োগ করতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

কৃষি আমদানিতে শুল্কের সম্ভাবনা (Donald Trump)
হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ভারতের চাল এবং কানাডার সার আমদানিতে “কোনও বড় অগ্রগতি ছাড়াই” বাণিজ্য আলোচনা চলছে। তিনি যুক্তি দেন, অন্যান্য দেশের কৃষি পণ্য আমদানির ফলে আমেরিকার স্থানীয় কৃষকরা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। তাই তাদের সুরক্ষার জন্য শুল্ক কার্যকর করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, তাঁর প্রশাসন আমেরিকান কৃষকদের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করবে, যা মূলত বাণিজ্য অংশীদারদের কাছ থেকে আদায় করা শুল্ক রাজস্ব দ্বারা অর্থায়িত হবে।
শুল্কের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (Donald Trump)
ট্রাম্পের বক্তব্যে পরিষ্কার ফুটে উঠেছে যে, কৃষি ও কৃষকরা আমেরিকার অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তিনি বলেন, আমেরিকার কৃষি পুনরুজ্জীবিত করতে শুল্ক বৃদ্ধি তার কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু। বৈঠকে যখন উল্লেখ করা হয়, যে মার্কিন খুচরো চাল বাজারে ভারতীয় দুটি সংস্থার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে, ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেন, শুল্ক প্রয়োগের মাধ্যমে দু’মিনিটের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
সার আমদানিতে কড়া নীতি (Donald Trump)
কানাডা থেকে আসা সারকেও তিনি হুমকির আওতায় এনেছেন। ট্রাম্প বলেন, “আমাদের প্রয়োজন হলে কানাডা থেকে আসা সারের ওপর আমরা কঠোর শুল্ক আরোপ করব।” এতে স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আমেরিকার কৃষক সমাজের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুন: India: যশস্বীর শতরানে সিরিজ জয় ভারতের! রো-কো জুটির কামব্যাকে মান বাঁচল গম্ভীরের
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ প্রভাব
বিশ্ববাজারে মার্কিন শুল্ক হুমকি ভারতীয় কৃষি ও অন্যান্য এশীয় সরবরাহকারীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্য আলোচনার ক্ষেত্রে অগ্রগতি না হওয়া এবং শুল্কের হুমকি মেনে চলা না হলে ভারতীয় কৃষি রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতকে বৈচিত্র্যময় রপ্তানি বাজার এবং কৌশলগত মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে হবে।



