Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত (Durga Puja 2025) দুর্গাপুজো মণ্ডপ মহম্মদ আলি পার্ক ঘিরে সৃষ্টি হওয়া অনিশ্চয়তা অবশেষে কাটল। পুজোর মণ্ডপ বন্ধ হওয়ার ২০ ঘণ্টা পর ফের দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে প্রবেশপথ। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া পুজো উদ্যোক্তাদের ক্ষোভের পর রবিবার পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় মিলল সমাধান।
পুজো কমিটির তরফে অভিযোগ (Durga Puja 2025)
শনিবার রাতে পুজো কমিটির তরফে অভিযোগ ওঠে, পুলিশ পূর্বনির্ধারিত (Durga Puja 2025) দর্শনার্থী প্রবেশপথ পরিবর্তন করেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ প্যান্ডেলে পৌঁছতে পারছেন না। উদ্যোক্তারা জানিয়েছিলেন, বছরের পর বছর ধরে যেই রুট দিয়ে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতেন, এবার সেই রুট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং তুলনায় অন্ধকার ও সরু গলির মাধ্যমে প্রবেশ করানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন উদ্যোক্তারা। প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো, উদ্যোক্তারা হাতে কালো কাপড় বেঁধে জানান তাঁদের ক্ষোভ।
পূর্বের মতোই স্বাভাবিক রুট চালু (Durga Puja 2025)
তবে রবিবার জোড়াসাঁকো থানায় ডিসি সেন্ট্রাল এবং থানার ওসির উপস্থিতিতে (Durga Puja 2025) এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন পুজো কমিটির প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক বিবেক গুপ্ত এবং পৌরপ্রতিনিধি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আলোচনার পরেই উদ্যোক্তারা জানান, ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে এবং পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য পূর্বের মতোই স্বাভাবিক রুট চালু করা হবে।
দর্শনার্থীদের মধ্যেও হতাশা
পুজো কমিটির সদস্য অশোক ওঝা বলেন, “প্রথমে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, কিন্তু এখন সব মিটে গেছে। পুলিশ আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা করছে। আমরা আবার মণ্ডপ খুলে দিচ্ছি দর্শনার্থীদের জন্য।” এবার ৫৭ তম বর্ষে পা দিল মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজো। এবারের থিম-‘শক্তির সাগর’। মণ্ডপটি এবারও দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রে। ফলে মণ্ডপ বন্ধ থাকার ঘটনাটি দর্শনার্থীদের মধ্যেও হতাশা তৈরি করেছিল।
আরও পড়ুন: Weather Update: ষষ্ঠীর মতোই শুকনো সপ্তমী, কিন্তু নবমী-দশমীতে ঝেঁপে নামতে পারে বৃষ্টি!
রবিবার বিকেলে মণ্ডপ খুলতেই উৎসাহী জনতার ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে পার্ক চত্বর। পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে অবশেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে শহরের অন্যতম জনপ্রিয় এই পুজোকে ঘিরে।


