Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal Champion)। এই জয়ের ফলে দীর্ঘ ২২ বছরের খরা কাটিয়ে ডুরান্ড ট্রফি ঘরে তুলল লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেই সঙ্গে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে ১৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে মোহনবাগানের রেকর্ডে ভাগ বসাল ইস্টবেঙ্গল।
এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক (East Bengal Champion)
ম্যাচের শুরু থেকেই মোহনবাগান রক্ষণকে ছারখার করে আক্রমণ চালাতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। ১০ মিনিটে মহম্মদের বাড়ানো বল থেকে দারুণ শটে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বিপিন সিং। এর ঠিক পরেই ১২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান এডমুন্ড লালরিনডিকা। এরপর ২৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন এডমুন্ড। মোহনবাগানের পক্ষে ৩৪ মিনিটে মনবীর সিং একটি গোল শোধ করলেও, প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে (৪৪ মিনিটে) গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক ও দলের জয় নিশ্চিত করেন এডমুন্ড। বাইচুং ভুটিয়া এবং কিয়ান নাসিরির পর আরও এক ভারতীয় ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করলেন।
হাবাসের মগজাস্ত্র (East Bengal Champion)
কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের নিখুঁত কৌশল এবং কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবলের কাছে সম্পূর্ণ নুইয়ে পড়েছিল মোহনবাগান। কোচ প্যানিওটিস দিলমপেরিসের দল পুরো ম্যাচে সেভাবে কোনো টিকিইটেই লড়াইয়ে থাকতে পারেনি। মাঝমাঠে মহম্মদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং ফরোয়ার্ড লাইনে এডমুন্ড-বিপিনদের গতি সবুজ-মেরুনের রক্ষণ দুর্গ তাসের ঘরের মতো ভেঙে দেয়।
মধুর প্রতিশোধ (East Bengal Champion)
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মোহনবাগানের (East Bengal Champion) কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ার মধুর প্রতিশোধ নিল ইস্টবেঙ্গল। ২০০৪ সালে দিল্লির আম্বেদকর স্টেডিয়ামে জয়ের পর এই প্রথমবার ডুরান্ড এল লাল-হলুদ শিবিরের অন্দরে, তাও আবার কলকাতার নিজের মাঠে। ম্যাচ জুড়ে সমর্থকদের উল্লাস আর মশাল জ্বালানো যুবভারতীতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায় তৈরি করল।



