Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ওড়িশার বিরুদ্ধে জোড়া গোলে দলকে জয়ে ফেরান এজেজ্জারি (East Bengal FC)।
ইস্টবেঙ্গলের ওড়িশা বধ (East Bengal FC)
ভারতের নানান রাজ্যের পরিচয় বহন করে সেখানে বিশেষ কিছু জিনিস। আম হোক ডোকরা, তারা যেমন পরিচয় বহন করে বিভিন্ন জায়গার তেমন রসগোল্লা। রসগোল্লা নিয়ে ওড়িশার সঙ্গে বাংলার মধ্যে সংঘাত থাকলেও খাদ্যরসিক মানুষ সেই সংঘাতের উত্তাপকে পাত্তা না দিয়ে উপভোগ করে এই মিষ্টির স্বাদ। একদিকে ‘বাংলার রসগোল্লা’ আর অন্যদিকে ‘ওড়িশার রসগোলা’, জিআই তালিকায় এই দুইয়ের সহাবস্থান থাকলেও ফুটবলের মাঠে হার মানতে হল ওড়িশাকে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। জোড়া গোল দিয়ে এই ম্যাচের নায়ক ইউসেফ এজেজ্জারি (East Bengal FC)।
কেউ কেউ আসেন ময়দান কাঁপিয়ে দলকে জয়ে এনে দিয়ে আবার নিজের কাজে মগ্ন হয়ে ওঠেন। বঙ্গে ভোট নিয়ে যে উত্তেজনা চলে তার থেকে কোনও অংশে কম উত্তেজনা থাকে না ফুটবল মাঠে। আবেগে হোক তর্কে, চায়ের ঠেক হোক বা অফিসের ডেস্ক, ফুটবল আর রাজনীতি দুই চর্চায় থাকে বাঙালির।

স্প্যানিশ তারকার জোড়া গোলে জয় ফিরল ইস্টবেঙ্গল। ৯ ম্যাচের মধ্যে ৫ ম্যাচ জিতে চার নম্বরে উঠে এল অস্কার ব্রুজোর দল। সমসংখ্যক ম্যাচ কেহলে মোহনবাগান রয়েছে এক নম্বরে। দুই দলের মধ্যে পয়েন্টের পার্থ্যক্য মাত্র দুই। প্রথমার্ধের শেষে এক গোলে এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ শিবির। এজেজ্জারি দ্বিতীয়ার্ধে জয় নিশ্চিত করে ফেলেন। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে শুরুটা দারুন করলেও মাঝে কিছু ম্যাচে গোলের খরা চলছিল তবে এই ম্যাচে সেই খরা কাটল। গোয়ায় ওড়িশার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে এখন তাঁর গোল সংখ্যা ৯ (East Bengal FC)।

বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ম্যাচের পর ওড়িশার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। কার্ডের জন্য মিগুয়েল ছিলেন না। এই দিনের ম্যাচে দুই উইংয়ের আক্রমণে উঠতে দেখা যায় লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। পিভি বিষ্ণু এবং বিপিন সিংয়ের কম্বিনেশনে বিপক্ষের বক্সে বেশ কয়েকবার উঠে যায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হয়। নাহলে প্রথমার্ধেই আরও গোলে এগিয়ে থাকত ব্রুজোর দল। নন্দকুমার এই দিনের ম্যাচে গোল মিস করেন যার মধ্যে একটি ছিল নিশ্চিত হেড।
নির্বাচনের কারণে ইস্টবেঙ্গল বনাম ওড়িশার ম্যাচ গোয়ায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ওড়িশার বিরুদ্ধেই প্রথম থেকেই ছন্দে দেখা যায় লাল-হলুদ শিবিরকে। সেই কারণে প্রথম থেকেই পরিবার থেকে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ১১ মিনিটে দলকে প্রথম গোল এনে দেন বিপিন। বাঁ দিক থেকে পিভি বিষ্ণুর নিখুঁত ক্রসে পায়ের ছোঁয়ায় জালে বল জড়িয়ে দেন বিপিন। নিজের ১৫০ তম আইএসএল ম্যাচে গোল করলেন এই লাল-হলুদ তারকা।
আরও পড়ুন: Election Security: কেতুগ্রামে বুথের কাছে বোমাতঙ্ক, ব্যাগ ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়!
বিরতিতে ইস্টবেঙ্গলের গোল ছিল ১ কিন্তু সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারত যদি কিছু সুযোগ নষ্ট না করত। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সৌভিকের পরিবর্তে অস্কার নামান রাশিদকে। অন্যদিকে সোবার্গকে তুলে নামান এজেজ্জারিকে। নেমেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যান তিন সঙ্গে খরা কাটান গোলের। এই স্প্যানিশ তারকা দলের হয়ে দুটি গোল করেন ৭০ এবং ৮৩ মিনিটে। ওড়িশার বিরুদ্ধে জয় ছিল ইস্টবেঙ্গলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আর সেই ম্যাচ জিতে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট হাসিল করে নিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)।


