Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উৎসবের আনন্দে বিষাদ বয়ে এনেছে কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপ (chorbagan tragedy)। সপ্তমী পুজোর আনন্দ দেখতে গিয়ে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন মানুষ। আহত হয়েছেন একাধিক পুজোপ্রেমী। এই মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনায় গোটা রাজ্য তথা কলকাতা ময়দানে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
ময়দানের শোকবার্তা (chorbagan tragedy)
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এই অভিশপ্ত ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে কলকাতা ময়দান। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান—দুই ক্লাবের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উৎসবের উদযাপন তখনই প্রকৃত অর্থ লাভ করে যখন আমরা দায়িত্বশীল সমাজ হিসেবে নিজেদের কর্তব্য পালন করি। সহনাগরিকদের স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপত্তা সর্বদই আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। একই রকমভাবে সমবেদনা জানিয়েছে মোহনবাগান ক্লাবও। এছাড়াও ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি)-এর তরফ থেকেও নিহতদের প্রতি শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট (chorbagan tragedy)
প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সপ্তমীর দিন অর্থাৎ গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে মণ্ডপ থেকে বেরোনোর গেটে উপচে পড়া ভিড়ের চাপ মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। সরু গেটটি কার্যত আটকে যাওয়ায় মণ্ডপের ভেতরে মানুষের চাপ দ্বিগুণ হয়ে পড়ে। একসঙ্গে বহু মানুষ বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে এই ভয়ঙ্কর পদপিষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরবর্তীতে প্রকাশিত ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, চোরবাগানের ওই দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ জনের প্রায় প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে মূলত দমবন্ধ হয়ে।
আরও পড়ুন: Asian Para Games: কীভাবে এশিয়ান প্যারা গেমসে সিন্ধু সভ্যতার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনল ভারত?
প্রশাসনের সতর্কতা (chorbagan tragedy)
চোরবাগানের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর কলকাতার একাধিক বড় পুজোমণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে (chorbagan tragedy)। ভবিষ্যতে যাতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে আয়োজক এবং প্রশাসন উভয়পক্ষই এখন থেকে আরও বেশি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।



