Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্বাধীনতার ৭৮ বছর পর প্রথমবারের জন্য বিদ্যুৎ পরিষেবার আলোয় আলোকিত হল কোচবিহারের দিনহাটা(Dinhata)-১ ব্লকের গিতালদহ-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্তবর্তী দুই গ্রাম—খারিজা হরিদাস ও কোনামুক্তা। বিদ্যুৎ সংযোগের সঙ্গে সঙ্গেই যেন বাস্তবে ফিরে এল শাহরুখ খানের ‘স্বদেশ’ সিনেমার সেই চরণপুর গ্রামের দৃশ্য।
৭৮ বছরের অপেক্ষার অবসান(Dinhata)
এই দুই গ্রাম এতদিন কাঁটাতারের ওপারে থাকার কারণে সরকারি বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিল। অথচ এ গ্রামের বাসিন্দারাও ভারতেরই নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ, বিএসএফ ও প্রশাসনের সঙ্গে বারবার আলোচনার পর অবশেষে সেই বঞ্চনার অবসান ঘটল এবার জুলাই মাসে। এতদিন যে গ্রাম দুটি কাঁটাতারের ওপারে থাকায় আলো ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয়নি। সেই গ্রামে পৌঁছল বিদ্যুতের আলো।
পঞ্চায়েত সদস্যের উদ্যোগ ও পাঁচ বছরের চেষ্টার ফল(Dinhata)
সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ বিদ্যুৎ চালু হতেই আনন্দে ভরে ওঠে গোটা গ্রাম। শিশু, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ—সবার মুখেই উচ্ছ্বাস। গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আশাদুল হক বলেন, “এতদিন সীমান্তে থাকা আমাদের নাগরিকরাই ন্যূনতম পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আজ এক ঐতিহাসিক দিন।” তিনি জানান, গত পাঁচ বছর ধরে টানা সমন্বয়ের চেষ্টা চালানো হয়েছে বিএসএফ, বিডিও এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার সঙ্গে। রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর জানিয়েছে, বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পাঁচটি খুঁটি বসানো হয়েছে, এমনকি নদীর উপর দিয়েও টানা হয়েছে বিদ্যুতের তার।
আরও পড়ুন: Weather Update: বর্ষার দাপট সোমবারও জারি, কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা
আলো শুধুই আলো নয়, উন্নয়নের প্রতীক(Dinhata)
দিনহাটার(Dinhata)গিতালদহ-১ পঞ্চায়েত বরাবরই সীমান্তবর্তী। অনেক গ্রামেই আগেই বিদ্যুৎ পৌঁছালেও এই দুটি গ্রাম ছিল ব্যতিক্রম। এবার সেই অন্ধকার কাটল। গ্রামবাসীদের ভাষায়, “এই আলো শুধু ঘরের নয়, এটা আমাদের স্বপ্ন, উন্নয়ন ও নতুন জীবনের প্রতীক।” আলো জ্বলে উঠেছে, এখন শুধু এগিয়ে চলার পালা।
আরও পড়ুন: Mysterious Death: মহেশতলায় গভীর রাতে নার্সের রহস্যমৃত্যু! তদন্তে নেমে প্রতিবেশী যুবককে আটক পুলিশের


