Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এপস্টিন ফাইলস সংক্রান্ত বিতর্ক ক্রমেই আরও ছড়াচ্ছে। বিতর্কের আঁচ পড়েছে বিশ্বখ্যাত পপ তারকা বেয়ন্সের জীবনেও। কারণ, বিতর্কিত নথিতে উঠে এসেছে তাঁর স্বামী ও র্যাপার জে-জেডের নাম। এর জেরে সামাজিক মাধ্যমে বড় ধাক্কা খেয়েছেন বেয়ন্সে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই তিনি ইনস্টাগ্রামে ১ কোটিরও বেশি ফলোয়ার হারিয়েছেন (Epstein Beyonce)।

নতুন ইতিহাস গড়েছেন বেয়ন্সে (Epstein Beyonce)
তবে ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিতর্কের মাঝেও পেশাগত ও আর্থিক সাফল্যে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বেয়ন্সে। ফোর্বসের কিপোর্ট বলছে, ৪৪ বছর বয়সে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলিয়নেয়ার ক্লাবে প্রবেশ করেছেন। সংগীত জগতে তিনিই পঞ্চম শিল্পী, যাঁর সম্পদের পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। এই তালিকায় তাঁর স্বামী জে-জেড, টেইলর সুইফট, রিহানা এবং ব্রুস স্প্রিংস্টিনও রয়েছেন।

কনসার্ট ট্যুরেই আয় বেয়ন্সের (Epstein Beyonce)
ফোর্বস জানিয়েছে, বেয়ন্সের বিপুল সম্পদের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে তাঁর কনসার্ট ট্যুরগুলির। ২০২৩ সালের রেনেসাঁ ওয়ার্ল্ড ট্যুর থেকে তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন। ২০২৫ সালে তাঁর গ্র্যামি-জয়ী কান্ট্রি অ্যালবাম Cowboy Carter প্রকাশের পর কাউবয় কার্টার ট্যুর হয়ে ওঠে বছরের সর্বোচ্চ আয়কারী ট্যুর। টিকিট বিক্রি থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার এবং মার্চেন্ডাইজ থেকে অতিরিক্ত ৫০ মিলিয়ন ডলার আসে।

আরও পড়ুন: Mathura Elephant: শীতে রঙিন উলের সোয়েটার: আশ্রিত হাতিদের ওম দিচ্ছেন মথুরার মেয়েরা
আয়ের উৎস সঙ্গীত (Epstein Beyonce)
সংগীতের বাইরেও বেয়ন্সের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য বিস্তৃত। ২০১০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন পার্কউড এন্টারটেইনমেন্ট, যা তাঁর গান, ট্যুর ও ভিজ্যুয়াল প্রোডাকশন পরিচালনা করে। পাশাপাশি তাঁর হেয়ার-কেয়ার ব্র্যান্ড সেক্রেড এবং হুইস্কি ব্র্যান্ড সারডেভিসও আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে। তবু ফোর্বসের মতে, বেয়ন্সের বিলিয়নেয়ার হওয়ার পথে প্রধান চালিকাশক্তি রয়ে গেছে ট্যুরিং ও সঙ্গীত স্বত্ব থেকেই আসা আয়।



