Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বলিউড তারকা ফারহান আখতারের মা হানি ইরানি এক চাঞ্চল্যকর প্রতারণার শিকার হয়েছেন (Farhan Akhtar)। তাঁর গাড়িচালক নরেশ সিং (৩৫) জ্বালানি ভরার নামে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার জালিয়াতি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। বান্দ্রা পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
প্রতারণার কৌশল (Farhan Akhtar)
নরেশ সিং বহু বছর ধরে ইরানির পরিবারের গাড়িচালক হিসেবে কাজ করছিল। তার দায়িত্ব ছিল গাড়িতে পেট্রোল ভরানো এবং রক্ষণাবেক্ষণ। কিন্তু সে ফারহান আখতারের কার্ড ব্যবহার করে বান্দ্রা পশ্চিমের একটি পেট্রোল পাম্পে প্রতারণা চালাত। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নরেশ পেট্রোল না ভরিয়েই কার্ড সোয়াইপ করতেন, পরে পাম্পের কর্মী অরুণ সিংয়ের কাছ থেকে নগদ টাকা নিতেন। এভাবেই দু’জনের মধ্যে গোপন চুক্তির মাধ্যমে প্রতারণা চলত। অরুণ প্রতিটি লেনদেন থেকে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকার কমিশন রাখতেন।
সন্দেহের সূত্রপাত (Farhan Akhtar)
ঘটনাটি সামনে আসে যখন নরেশ একবারে ৬২ লিটার পেট্রোলের বিল জমা দেয়, অথচ গাড়িটির ট্যাঙ্কের ধারণক্ষমতা ছিল মাত্র ৩৫ লিটার। এই অমিল দেখে হানি ইরানির ম্যানেজার দিয়া ভাটিয়া সন্দেহ করেন। তদন্তে আরও জানা যায়, নরেশ এমন একটি গাড়ির জন্য ইঞ্জিন অয়েল কেনার হিসেব দেখিয়েছে, যা সাত বছর আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল।
ম্যানেজারের সতর্কতা আদেও ছিল? (Farhan Akhtar)
দিয়া ভাটিয়া সন্দেহজনক তথ্য পাওয়ার পর নরেশকে হানি ইরানির উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সে সময় নরেশ প্রতারণার কথা স্বীকার করে নেয়। এফআইআরে উল্লেখ আছে যে, নরেশ ২০২২ সালে ফারহানের প্রাক্তন ড্রাইভার সন্তোষ কুমারের কাছ থেকে ওই ফুয়েল কার্ডগুলি সংগ্রহ করে এবং তখন থেকেই অপব্যবহার শুরু করে।
পুলিশের মামলা ও তদন্ত (Farhan Akhtar)
১ অক্টোবর বান্দ্রা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩১৮ এবং ধারা ৪১৮ এর অধীনে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত পাম্পকর্মী অরুণ সিং বর্তমানে পলাতক, এবং পুলিশ তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।
আরও পড়ুন: Gargee RoyChowdhury: প্রযোজনায় মন গার্গীর, নাটক দিয়ে শুরু নয়া অধ্যায়
তদন্তের অগ্রগতি কতটা?
পুলিশ এখন পর্যন্ত তদন্ত করছে, ঠিক কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে, এই প্রতারণা চক্রে অন্য কেউ জড়িত কি না, এবং পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমিকা ছিল কি না।



