Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বার্লিন চিড়িয়াখানার সবচেয়ে প্রবীণ বাসিন্দা ফাতু তার ৬৯তম জন্মদিন উদযাপন করল এক বিশেষ আয়োজনে(Fatou Birthday)। পশ্চিমা নিম্নভূমির এই গরিলাটি তার শান্ত ও গম্ভীর স্বভাবের জন্য পরিচিত। জন্মদিন উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয় পুষ্টিকর সবজি বিট, টমেটোসহ নানা স্বাস্থ্যকর খাবার। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে চিড়িয়াখানায় থাকা ফাতু কেবল দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রই নয়, সে একজন মা আর ঠাকুমাও।
আবেগঘন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ (Fatou Birthday)
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, “গরিলা ফাতু আবারও ইতিহাস গড়ছে। ১৯৫৯ সালে বার্লিন চিড়িয়াখানায় আসা ফাতু এখন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক গরিলা, যা মানুষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তার এই দীর্ঘ জীবন তাকে সংরক্ষণ সচেতনতার এক বিশেষ দূত করে তুলেছে।”
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি
চিড়িয়াখানার মুখপাত্র ফিলিনে হাখমেইস্টার বলেন, মানুষের হিসেবে ফাতুর বয়স শত বছরেরও বেশি। ২০১৯ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক গরিলা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বয়স মেনে ফাতুর যত্ন
ফাতুর যত্ন তার বয়স অনুযায়ী নিয়মিত পরিবর্তন করা হয়। তাকে পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হয় এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য বিশেষ কার্যক্রম রাখা হয়।
বহু হাত ঘুরে বার্লিনে ফাতু (Fatou Birthday)
ধারণা করা হয়, ১৯৫৭ সালে বন্য পরিবেশে জন্ম হয়েছিল ফাতুর। ১৯৫০-এর দশকের শেষ দিকে এক নাবিক তাকে নিজের লাগেজে করে ফ্রান্সের মার্সেই বন্দরে নিয়ে আসে। পরে বিল পরিশোধ করতে না পেরে সেই নাবিক ফাতুকে এক পানশালার মালিককে দিয়ে দেয়। এরপর এক প্রাণী ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সে পৌঁছে যায় বার্লিন চিড়িয়াখানায়।
আরও পড়ুন: Branded Shoe: সস্তার তিন অবস্থা তবু ১০ হাজারি ব্র্যান্ডেড জুতোর পরিস্থিতি জানলে ভিরমি খাবেন
ভরা সংসার ফাতুর (Fatou Birthday)
১৯৭৪ সালে ফাতু প্রথমবার মা হয়, জন্ম দেয় ডুফটে নামের একটি শাবকের যে ছিল ওই চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া প্রথম গরিলা। যদিও ডুফটে ২০০১ সালে মারা যায়, তবুও ফাতু একা নয়। তার নাতনি এম’পেনজি এখনও তার সঙ্গেই রয়েছে। বর্তমানে তার বংশধরদের মধ্যে কয়েক প্রজন্ম বিস্তৃত পরিবার রয়েছে, যা তার দীর্ঘ জীবনের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার।



