Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিদেশি অনুদান সংশোধন বিল ২০২৬ (FCRA Amendment Bill, 2026) যৌথ সংসদীয় কমিটিতে (JPC) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৩১ জন সদস্যের এই কমিটিতে লোকসভা থেকে ২১ এবং রাজ্যসভা থেকে ১০ জন সাংসদ থাকবেন। লোকসভায় সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সরকার-বিরোধী সঙ্ঘাত (FCRA Amendment Bill, 2026)
অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন যে, এই প্রস্তাবিত আইনটি মূলত সংখ্যালঘুদের নিশানা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে রিজিজু এই অভিযোগ খারিজ করে চ্যালেঞ্জ জানান এবং দাবি করেন যে বিরোধীরা লোকসভায় বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বিলটি কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বিলে কী বলা হয়েছে?
সম্পদের নিয়ন্ত্রণ: কোনও সংস্থার FCRA শংসাপত্র বাতিল হলে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহার করলে বা নবায়ন না হলে সেই সংস্থার বিদেশি অনুদানে তৈরি যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির দায়িত্ব নেবে সরকার নিযুক্ত এক ‘নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ’ (Designated Authority)।
উপাসনাস্থল রক্ষা: যেসব সম্পত্তি উপাসনাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলির ধর্মীয় পরিচিতি ও চরিত্র বজায় রাখার কথা বিলে উল্লেখ রয়েছে।
শাস্তি হ্রাস: FCRA আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ ৫ বছর থেকে কমিয়ে ১ বছর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
কেন এই বিল নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে?
মূল উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিদেশি অনুদানে তৈরি সম্পত্তি অধিগ্রহণ নিয়ে। শংসাপত্র বাতিল হলে বা নবায়ন না হলে সেই সম্পত্তি সংস্থার হাতছাড়া হয়ে কর্তৃপক্ষের অধীনে চলে যাবে। এর অর্থ হলো, সম্পদ রক্ষা করতে সংস্থাসমূহকে জোরপূর্বক FCRA কাঠামোর ভেতরেই থাকতে হবে।
এছাড়া, যে সকল সংস্থা সাধারণ FCRA লাইসেন্স পেয়েছে এবং যারা কেবল ‘বিশেষ অনুমতি’ নিয়ে সম্পদ গড়েছে তাদের মধ্যে পার্থক্যের বিষয়টি স্পষ্ট নয়(FCRA Amendment Bill, 2026)। একই সাথে, আবেদন বাতিল হলে সংস্থার বক্তব্য পেশের বা আপিল করার কোনো নির্দিষ্ট আইনি সুযোগ না থাকায় তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।



