Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইপিএল বাজারে এখন সবচেয়ে বড় গসিপ— হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya) নাকি পুরনো প্রেম গুজরাট টাইটান্সে ফিরতে চেয়েছিলেন! কিন্তু ঘর ওয়াপসি-র এই রোমান্টিক সিন শেষমেশ অ্যাকশন থ্রিলার হয়ে ফ্লপ করেছে। কারণ একটাই— আগে চেয়ার, তবেই তো পিয়ার!
পুরনো ঘরে ফেরার ইচ্ছে (Hardik Pandya)
খবর অনুযায়ী, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে মেঘ না চাইতেই জল পাওয়ার মতো অবস্থা দেখে হার্দিকবাবু ভেবেছিলেন, পুরনো বাড়ি গুজরাটে গিয়ে আবার রাজার হালে বসবেন। গুজরাত কর্তারাও এক পায়ে খাড়া ছিলেন। এমনকী, বর্তমান বস শুভমন গিলও নাকি বড় হৃদয়ের পরিচয় দিয়ে বলে দিয়েছিলেন, আরে আসুক না হার্দিক ভাই, কোনও প্রবলেম নেই!
সিংহাসন কাড়াকাড়ি (Hardik Pandya)
কিন্তু টুইস্ট এল ঠিক এখানেই। হার্দিক বললেন, দাদা, আসব তো ঠিক আছে, কিন্তু সিংহাসনটা ছাড়তে হবে! আমি এসেই আবার ক্যাপ্টেন্সি নেব। ব্যাস! এই কথা শোনার পরেই গুজরাত শিবিরের চক্ষু চড়কগাছ। কর্তারা তখন চোখ কপালে তুলে বললেন যে শুভমন আমাদের ঘরের ছেলে, উপরন্তু এখন সে ইন্ডিয়ান টিমকেও লিড করছে। আর হার্দিক এসেই ক্যাপ্টেন্সি দাবি করলে দলটার বারোটা বাজানোর আর বাকি কী থাকে!
মিটিংয়ে চা-বিস্কুট (Hardik Pandya)
শুভমনকে অধিনায়ক পদ থেকে সরানোর প্রশ্নই ওঠে না দেখে সোজা না বলে দেন গুজরাত কর্তারা। ওদিকে হার্দিকও নাছোড়বান্দা— ক্যাপ্টেন্সি না পেলে আমি ঘরেই ঢুকব না! ফলাফল যা হওয়ার তাই— দুই পক্ষের মিটিং শেষমেশ চা-বিস্কুট খাওয়াতেই আটকে গেল।
আরও পড়ুন: Sushil Kumar: সুশীল কুমারের জামিনের আবেদন খারিজ করল দিল্লি হাই কোর্ট
মুখপাত্রের কুল লুক (Hardik Pandya)
এদিকে হার্দিকের (Hardik Pandya) মুখপাত্র আবার এক্কেবারে কুল ভঙ্গিতে বলে দিয়েছেন, আরে ভাই, আমরা তো কারও সঙ্গেই কথা বলিনি! এগুলো সব মিডিয়ার রিউমার! এখন দেখার বিষয়, আইপিএলের এই হাই-ভোল্টেজ অলরাউন্ডার শেষ পর্যন্ত কোন দলের জার্সিতে মাঠে নামেন, আর তাঁর মাথার উপর কার ক্যাপ্টেন্সির ছাতা থাকে!



