Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গোয়ার নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সৌরভ ও গৌরব লুথরা ভারতে পৌঁছেছেন। ব্যাংকক থেকে তাঁদের ডিপোর্ট করা হয়। এমার্জেন্সি সার্টিফিকেটে ভারতে ফেরেন দুই ভাই, জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা(Goa Fire)।
পাটিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ (Goa Fire)
দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও গোয়া পুলিশের একটি যৌথ দল তাঁদের পাটিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করবে। সেখানে তদন্তকারী সংস্থাগুলি তাঁদের ট্রানজিট রিমান্ড চাওয়ার আবেদন জানাবে। আদালতের অনুমতি মিললে তাঁদের গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হতে পারে।
নাইটক্লাবে আগুন, মৃত ২৫ (Goa Fire)
গত ৬ ডিসেম্বর গোয়ার জনপ্রিয় নাইটক্লাব ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’-এ ভয়াবহ আগুন লাগে। এই ক্লাবটি লুথরা ভাইদের সঙ্গে যুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই অগ্নিকাণ্ডে মোট ২৫ জনের মৃত্যু হয়,যার মধ্যে ২০ জন ক্লাবের কর্মী এবং পাঁচ জন পর্যটক ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সৌরভ ও গৌরব ইন্ডিগোর একটি বিমানে চেপে থাইল্যান্ডের ফুকেটে পাড়ি দেন, তখনও দমকল ও উদ্ধারকারী দল আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত ছিল।
লুথরা ভাইদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা (Goa Fire)
এই ঘটনায় লুথরা ভাইদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধারা ১০৫ (খুন নয়, তবে অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ড), ধারা ১২৫(এ) ও (বি) (মানবজীবন ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করা) এবং ধারা ২৮৭ (আগুন বা দাহ্য পদার্থ অবহেলায় ব্যবহারের অভিযোগ)।
পাল্টা যুক্তি লুথরা ভাইদের
ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডে তাঁদের আটক করা হয় এবং পরে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও লুথরা ভাইদের দাবি, তাঁরা ঘটনার পর পালিয়ে যাননি; ব্যবসায়িক বৈঠকের জন্যই থাইল্যান্ডে যান। পাশাপাশি, তাঁরা নিজেদের শুধু লাইসেন্সধারী বলে দাবি করেন, ক্লাবের প্রকৃত মালিক নন।
আরও পড়ুন: Jordan Modi: জর্ডন সফরে মোদি: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে উন্নতির প্রস্তাব, ৫ মউ স্বাক্ষরিত
অগ্রিম জামিনের আবেদন খারিজ (Goa Fire)
এর আগে দিল্লির একটি আদালতে চার সপ্তাহের ট্রানজিট অগ্রিম জামিন চেয়ে আবেদন করেন তাঁরা। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে। বিচারক বলেন, অভিযুক্তদের আচরণ এবং মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় এই মুহূর্তে কোনও স্বস্তি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আদালতের মন্তব্য, “প্রাথমিকভাবে অপরাধটি অত্যন্ত গুরুতর, যেখানে ২৫ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।”



