Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডিসেম্বরের শুরুতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গোয়ার আরপোরা গ্রামের বার্চ বাই রোমিও লেন নাইটক্লাবকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল সরকারি ম্যাজিস্ট্রিয়াল তদন্ত রিপোর্ট। এই রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যে জায়গায় ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল, সেখানে আদৌ কোনও নির্মাণের অনুমতি ছিল না আইনগত ও কাঠামোগত দু’দিক থেকেই(Goa Fire)।
বেআইনি জায়গায় নির্মাণ (Goa Fire)
তদন্তে জানা গিয়েছে, নাইটক্লাবটি একটি সল্ট প্যান বা লবণ জমির মাঝখানে তৈরি হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ধরনের জমিতে কোনও আইনেই নির্মাণ অনুমোদিত নয়। তবুও সেখানে মাসের পর মাস ধরে জনপ্রিয় নাইটক্লাবটি চালু ছিল।
ক্লাবের ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় (Goa Fire)
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, ক্লাবটির ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল ৩১ মার্চ, ২০২৪-এ। এরপরও কোনও বৈধ অনুমতি ছাড়াই ক্লাবটি চালু রাখা হয়। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত জানত বিষয়টি, কিন্তু তারা ক্লাবটি সিল করার জন্য কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।
প্রশাসনিক যোগসাজশের অভিযোগ (Goa Fire)
লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়াতেও একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। জমির নথি, অনুমোদিত নকশা-সহ প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি না থাকলেও কয়েক দিনের মধ্যেই লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়। আরও গুরুতর অভিযোগ, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা অন্য দফতরগুলিকে জানানো হয়নি, অথচ সেই লাইসেন্সের উপর নির্ভর করেই তারা অনুমতি দিত। রিপোর্টে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, এতে স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষের যোগসাজশ প্রমাণিত হয়।
আরও পড়ুন: Tobacco: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আরও দামী সিগারেট, পান মশলা ও তামাকজাত পণ্য: কার্যকর হচ্ছে নতুন কর কাঠামো
নিরাপত্তা উপেক্ষার মাশুল প্রাণ দিয়ে (Goa Fire)
তদন্তে উঠে এসেছে, ক্লাবের বিরুদ্ধে আগেও শব্দদূষণ ও পার্কিং নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল, কিন্তু সেগুলি উপেক্ষা করা হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য ক্লাবের ভেতরে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই আতশবাজি ফাটানো হয়েছিল। এই কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রান্নাঘরের কর্মীদের পক্ষে বেরিয়ে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।



