Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হাজার হোক দলের সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP President) বলে কথা! তার ওপর পশ্চিমবঙ্গের সাংসদদের সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক। তাই আপ্যায়নে কোনও ত্রুটি রাখতে চাননি সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যরা। দিল্লির কনকনে ঠান্ডায় সুকান্ত মজুমদারের বাসভবনে যখন বাংলার বিজেপি সাংসদরা জড়ো হলেন, তখন আবহাওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপের চেয়েও রান্নার সুগন্ধই বোধহয় বেশি ছড়াচ্ছিল। উপলক্ষ? সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের সঙ্গে প্রথম অফিশিয়াল মোলাকাত।
ভুরিভোজের আয়োজন (BJP President)
সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে খাওয়া-দাওয়ার এলাহি ব্যবস্থা ছিল। মেনু কার্ড দেখলে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! চিকেন থেকে মটন, আর বাঙালির প্রাণের ইমোশন ইলিশ মাছ। কিছুরই অভাব ছিল না। শেষে আবার মিষ্টিমুখের বাহারি আয়োজন। তবে মজাদার বিষয় হল, আয়োজনে রাজকীয় সব আমিষ পদ থাকলেও কেন্দ্রীয় সভাপতি নিতিন নবীন নিজে কিন্তু মাছ-মাংস কিছুই ছুঁয়ে দেখেননি। নিরামিষ আহারেই তিনি পরম তৃপ্তি পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: Online Gaming Tragedy: অনলাইন গেম নিয়ে অশান্তি, ১০ তলা থেকে ঝাঁপ তিন বোনের!
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার ১৪ জন বিজেপি সাংসদ। একমাত্র অনন্ত মহারাজকে এই সভায় দেখা যায়নি। আনন্দঘন পরিবেশে খাওয়াদাওয়া চললেও কাজের ক্ষেত্রে কিন্তু যথেষ্ট কড়া মেজাজে ছিলেন নিতিন নবীন (BJP President)। তিনি সাফ জানিয়েছেন, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সমস্ত সাংসদকে তাঁদের নিজ নিজ এলাকার ‘রিপোর্ট কার্ড’ জমা দিতে হবে। বিগত দিনে এলাকায় কী কী কাজ হয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষ কতটা পেয়েছেন এবং জনগণের সঙ্গে সাংসদদের যোগাযোগ কেমন, সবকিছুর বিস্তারিত তথ্য সেই রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।
আরও পড়ুন:Shehzad Poonawalla: পুনেতে বাড়ছে হিট অ্যান্ড রান, গুরুতর আহত বিজেপি মুখপাত্রের মা
সভাপতির (BJP President) স্পষ্ট নির্দেশ, প্রয়োজনে সংসদীয় কাজকর্ম থেকে ছুটি নিয়ে এলাকাতে পড়ে থাকতে হবে এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ তদারকি করতে হবে। বড় জনসভার বদলে ছোট ছোট বৈঠক বা ‘পালাই সভা’র ওপর জোর দিতে বলেছেন তিনি। তাঁর সোজা কথা, “এবার জিততেই হবে।”


