Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং (Gurmeet Ram Rahim) আবারও প্যারোলে মুক্তি পেলেন। হরিয়ানা সরকার তাঁকে ২১ দিনের জন্য জেলের বাইরে থাকার অনুমতি দিয়েছে।
৩২৬ দিন তিনি জেলের বাইরে (Gurmeet Ram Rahim)
জানুয়ারির শুরুতে তিনি ৩০ দিনের প্যারোলে মুক্তি (Gurmeet Ram Rahim) পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত রাম রহিম মোট ১৪২ দিন প্যারোলে জেলের বাইরে ছিলেন। গত এক বছরে মোট চার মাস তিনি প্যারোলে ছিলেন এবং পাঁচবার তাঁর প্যারোল মঞ্জুর হয়েছে। ২০২০ সাল থেকে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩-তে, যার মধ্যে ৩২৬ দিন তিনি জেলের বাইরে কাটিয়েছেন।
বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন (Gurmeet Ram Rahim)
রাম রহিমের প্যারোলে মুক্তির ঘটনাটি বিভিন্ন মহলে (Gurmeet Ram Rahim) প্রশ্ন তুলছে। ২০০২ সালে তাঁর ডেরার রাজ্য কমিটির সদস্য রণজিৎ সিংহের হত্যার মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেও, মে মাসে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট তাঁকে মুক্তি দেয়। তবে ২০১৭ সালে দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে তিনি ২০ বছরের সাজা খাটছেন। বর্তমানে তাঁর ঠিকানা হরিয়ানার রোহতকের সুনিয়া জেল।
বিভিন্ন সংগঠনের বিরোধিতা
রাম রহিম জেলে থাকাকালীন একাধিকবার প্যারোলে মুক্তি পাওয়ায় বিভিন্ন সংগঠন বিরোধিতা করেছে। এই প্যারোলের পেছনে রাজনৈতিক দলের অনুগ্রহের অভিযোগও উঠেছে, বিশেষ করে সিরসা এলাকায় তাঁর বিশাল সংখ্যক ভক্তদের কথা মাথায় রেখে। বুধবার জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সরাসরি সিরসায় তাঁর ডেরার সদর দফতরে যান।
আরও পড়ুন: Sabooj Sathi Cycle Scam: সবুজ সাথী প্রকল্পে কাটমানির অভিযোগ কুলতলিতে!
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি পাওয়ার পরই
গত কয়েক বছরে রাম রহিমের প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক উঠেছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও চলছে। বিরোধী দলগুলি অভিযোগ করেছে যে, সরকার তাঁর প্যারোলকে রাজনৈতিক লাভের জন্য ব্যবহার করছে। সিরসার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি পাওয়ার পরই তিনি ডেরায় গেছেন।

অনেকেই তাঁর মুক্তির পক্ষে!
অন্যদিকে, রাম রহিমের মুক্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভক্তি দেখা গেছে। অনেকেই তাঁর মুক্তির পক্ষে, আবার অনেকেই বিপক্ষে। এর ফলে, এই বিষয়টি রাজ্য রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


