Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জুলাইয়ের শুরুতেই দেশজুড়ে জোরদার (Heavy Monsoon) হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাব। জুন মাসে বৃষ্টির ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে সেই ঘাটতি অনেকটাই কমেছে। তবে স্বস্তির বদলে দেশের একাধিক রাজ্যে দেখা দিয়েছে বন্যা, ধস এবং জল জমার মতো বড় সমস্যা। বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানি, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়া এবং জনজীবন ব্যাহত হওয়ার খবর মিলছে।
বন্যার আশঙ্কা! (Heavy Monsoon)
আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষে (Heavy Monsoon) যেখানে বৃষ্টির ঘাটতি ছিল উল্লেখযোগ্য, সেখানে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের প্রবল বর্ষণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মহারাষ্ট্র, গুজরাত, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ফলে বহু নদীর জলস্তর বেড়েছে এবং একাধিক এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বজ্রপাতে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা (Heavy Monsoon)
রাজধানী দিল্লিতে প্রবল বর্ষণের জেরে রাস্তাঘাট (Heavy Monsoon) জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। উপড়ে পড়েছে গাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবা এবং যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশে ভূমিধসের কারণে একাধিক সড়ক বন্ধ হয়ে পড়েছে। চারধাম যাত্রাও প্রভাবিত হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির জেরে স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বজ্রপাতে একাধিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
মহারাষ্ট্রে অতিবৃষ্টি
মহারাষ্ট্রে অতিবৃষ্টির কারণে মুম্বই-সহ একাধিক শহরে জল জমে জনজীবন কার্যত স্তব্ধ। রেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। গুজরাতে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে বহু মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে কেরলের ওয়েনাড়ে ভূমিধসের পর এখনও নিখোঁজদের খোঁজে চলছে উদ্ধার অভিযান।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিনও দেশের বিভিন্ন অংশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


