Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যৌনতা মানুষের জীবনের একটি স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ (Hypersexual Disorder) অংশ। তবে যখন এই চাহিদা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক কিংবা মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে শুরু করে-তখন সেটি আর স্বাভাবিক থাকে না। অতিরিক্ত ও অদম্য যৌন আকাঙ্ক্ষা একটি মানসিক ও আচরণগত সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় নিমফোম্যানিয়া বা স্যাটেরিয়াসিস। নারী ও পুরুষ-উভয়ের মধ্যেই এই সমস্যা দেখা যেতে পারে।
বারবার যৌন উত্তেজনায় ভোগেন (Hypersexual Disorder)
এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা বারবার যৌন উত্তেজনায় (Hypersexual Disorder) ভোগেন। ঘন ঘন হস্তমৈথুন, একাধিক যৌনসঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ, কিংবা বারবার যৌন সম্পর্কে জড়ানোর তাগিদ তৈরি হয়। অনেক সময় সুরক্ষিত যৌনতার বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়, ফলে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ বাড়ে। পর্নোগ্রাফির প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি, সাইবার সেক্স বা ফোন ও ভিডিও কলের মাধ্যমে যৌন চাহিদা মেটানোর প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়।

অশালীন আচরণের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা (Hypersexual Disorder)
কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে বা অশালীন আচরণের (Hypersexual Disorder) মাধ্যমে অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন, আবার কেউ কেউ গোপনে অন্যকে অনাবৃত অবস্থায় দেখার নেশায় জড়িয়ে পড়েন। এই সব আচরণ শুধু সামাজিক সমস্যাই নয়, মানসিক অস্থিরতারও পরিচায়ক।

আরও পড়ুন: Amazon: আমাজনে ফের কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা, নতুন বছরের শুরুতেই চাপে আইটি সেক্টর
সমস্যার চিকিৎসা ও সমাধান
ভাল খবর হল, এই সমস্যার চিকিৎসা রয়েছে। প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া। প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি কাউন্সেলিং, কগনিটিভ বিহেভিয়েরাল থেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদি রেসিডেনশিয়াল ট্রিটমেন্ট কার্যকর ভূমিকা নেয়। ধ্যান ও যোগাভ্যাস মানসিক স্থিরতা আনতে সাহায্য করে এবং চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হয়।


