Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) পাকিস্তানের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের বেলআউট কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে আরও ১১টি নতুন শর্ত আরোপ করেছে। এ নিয়ে গত ১৮ মাসে পাকিস্তানের উপর মোট ৬৪টি শর্ত আরোপ হয়েছে(IMF Pakistan)।
দুর্নীতি রোধে IMF-এর শর্ত (IMF Pakistan)
বৃহস্পতিবার এক রিপোর্টে দেশের গভীর অর্থনৈতিক বিকৃতি দূর করতে শাসনব্যবস্থা, দুর্নীতি রোধ, রাজস্ব কাঠামো ও বিভিন্ন খাতে পরিকাঠামোগত সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত শর্ত হল সিনিয়র ফেডারেল সিভিল সার্ভেন্টদের ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি ওয়েবসাইটে নিজেদের সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ করতে হবে। পরে প্রাদেশিক কর্মকর্তারাও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আসবেন। ব্যাংকগুলিকে এই সম্পদের বিবরণ দেখতে দেওয়া হবে যাতে আয়ের সঙ্গে সম্পদের অমিল বোঝা যায়।
মূল শর্তগুলি হল (IMF Pakistan):
সম্পদ ঘোষণা: উচ্চপর্যায়ের ফেডারেল কর্মকর্তাদের ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পদ প্রকাশ বাধ্যতামূলক।
ব্যাংক অ্যাক্সেস: ব্যাংকগুলো সম্পদ ঘোষণার তথ্য ব্যবহার করে যেকোনো অস্বচ্ছতা যাচাই করতে পারবে।
ঝুঁকিপূর্ণ বিভাগ: ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে দুর্নীতির ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে ১০টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ বিভাগের অ্যাকশন প্ল্যান প্রকাশ।
এনএবি সমন্বয়: সমস্যায় থাকা সংস্থাগুলোর পরিকল্পনা তদারকিতে NAB যুক্ত থাকবে।
প্রাদেশিক ক্ষমতায়ন: প্রাদেশিক দুর্নীতি দমন সংস্থাগুলোকে আর্থিক গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার ও তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া।
আরও বেশ কিছু শর্ত (IMF Pakistan)
রাজস্ব সংস্কার: রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার রোডম্যাপ ও মধ্যমেয়াদি কর সংস্কার পরিকল্পনা জমা।
রেমিট্যান্স মূল্যায়ন: রেমিট্যান্স খরচ ও সীমান্তপারের অর্থ লেনদেনে প্রতিবন্ধকতার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা।
চিনি বাজার উন্মুক্তকরণ: দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকা চিনি খাতকে উন্মুক্ত করার নীতি প্রণয়ন।
বিদ্যুৎ খাত সংস্কার: বিদ্যুৎ খাতের ক্ষতি কমানো ও বিতরণ সংস্থায় বেসরকারি বিনিয়োগের পথ সুগম করা।
করপোরেট আইন সংশোধন: কোম্পানিজ অ্যাক্ট ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) আইনে সংশোধন।
মিনি বাজেট: রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি হলে আগামী বছর মিনি বাজেট আনতে হবে।
আরও পড়ুন: Britain: লুভরের পর এবার চুরি ব্রিটেনের মিউজিয়ামে: খোয়া গেল ৬০০ দুর্মূল্য সামগ্রী
প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় বড় দুর্বলতা (IMF PAKISTAN)
আইএমএফের মূল্যায়নে দেখা গেছে, পাকিস্তানের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতেই নতুন শর্তগুলো আরোপ করা হয়েছে, যা দেশের আর্থিক স্থিতি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে আইএমএফ।



